দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে এনজিওকর্মীকে গণধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে ঢাকার আশুলিয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভিকটিম ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির উপজেলার রানীরবন্দর শাখার একজন কর্মী। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সুবাদে মামলার এক নম্বর আসামি মো. আতিকুল ইসলাম (২৪) ভিকটিমকে মোবাইল ফোনে জানান যে, ৫-৬ জন ব্যক্তি ইন্স্যুরেন্স পলিসি করতে আগ্রহী। এরই প্রেক্ষিতে গত ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে একাধিকবার ফোন করে সুকৌশলে তাকে উপজেলার নশরতপুর ইউনিয়নের কোম্পানীর মোড় এলাকায় নিয়ে যায়। কথিত গ্রাহকের বাড়িতে যাওয়ার পথে পূর্ব থেকে ওঁৎপেতে থাকা ২ থেকে ৬ নম্বর আসামিরা ভিকটিমকে জোরপূর্বক একটি ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এসময় এক আসামি ধর্ষণ ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ধারণ করে। একপর্যায়ে ভিকটিম অসুস্থ হয়ে পড়লে আসামীরা তাকে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে ভিকটিম চিরিরবন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ে করে। যার মামলা নং-২২, তারিখ ৩০/০১/২০২৬ তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৯(৩) ধারা এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১২ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করলে আসামিদের গ্রেফতারে র্যাবসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তৎপরতা শুরু করে। গত ৫ এপ্রিল আনুমানিক দুপুর সোয়া ১২টায় এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৩, সিপিসি-১, দিনাজপুর এবং র্যাব-০৪, সিপিসি-২, সাভারের যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে ঢাকার আশুলিয়া থানার জিরাবো তৈয়বপুর সড়কে অভিযান পরিচালনা করে মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি মো. ফরিদুল ইসলাম ওরফে হুলু (২৫) কে গ্রেপ্তার করে। র্যাব ধৃত মো. ফরিদুল ইসলাম ওরফে হুলুকে আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করেছে।
এমইউএ/এসআর