বাবা প্রতিবেশী প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় বাধা দিয়েছিল এবং ছিনতাইয়ের ঘটনায় আরাফাতের কলেজ পড়ুয়া বড় ভাই বিচারে সাক্ষী দিয়েছিল। এরই জের ধরে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় ১১ বছর বয়সী শিশু আরাফাত হত্যা করেছিল মো. রিপন নামে এক যুবক। ওই হত্যা মামলায় রিপনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালত। একই সাথে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আবু শামীম আজাদ এ রায় ঘোষণার সময় আসামি অনুপস্থিতি ছিল। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মো. রিপন বন্দর উপজেলার লাউসার এলাকার মো. ইসলামের ছেলে।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ জাকির বলেন, ২০২০ সালের ১৫ ডিসেম্বর রাতে শিশু আরাফাত হোসেন হত্যার ঘটনায় মো. রিপনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো। আদালতে জবানবন্দিতে সে জানায় ছিনতাইয়ের ঘটনায় আরাফাতের কলেজ পড়ুয়া বড় ভাই বিচারে সাক্ষী দিয়েছিল এবং বাবা প্রতিবেশী প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় তাকে বাধা দেয়ার জের ধরে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে মদনপুর রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র আরাফাতকে হত্যা করে। আদালত মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিচার কার্যক্রম শেষে এ মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।
এসএস/এসআর