রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সৌহার্দ্য পরিবহনের বাস পদ্মায় ডুবে উপজেলায় একই পরিবারের দু'জন নিহত হয়। নিহত পরিবারকে সরকার ঘোষিত অনুদান এবং তাদের সাথে থাকা ব্যাগ বাস থেকে উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্বজনদের সাথে দেখা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাথী দাস।
এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা আবু বক্কর এবং দেবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন।
গোয়ালন্দের নিহতরা হলেন- উপজেলার ছোট ভাকলা ইউনিয়নের চর বারকিপাড়া গ্রামের রেজাউল করিমের স্ত্রী মর্জিনা আক্তার (৩২), তার মেয়ে রাফিয়া আক্তার রিন্থি (১২)। রাফিয়া আক্তার স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী ছিলেন।
বৃহস্পতিবার সকালে এলাকার কবরস্থানে মা-মেয়ের দাফন সম্পন্ন করা হয়।
ইউএনও সাথী দাস বলেন, 'দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে প্রত্যেক নিহত ব্যক্তির দাফন কার্য সম্পাদন সংশ্লিষ্ট কাজের জন্য ২৫ হাজার টাকা বরাদ্দ রয়েছে। বাস দুর্ঘটনায় নিহত গোয়ালন্দ উপজেলার উল্লেখিত দু'জন ব্যক্তির জন্য তার পরিবারের অনুকূলে মোট ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে। পরবর্তীতে সরকার থেকে অন্য কোনো সহায়তা দেওয়া হলে সেটা প্রদান করা হবে।'
তিনি বলেন, 'শোকার্ত এই পরিবারের স্বজনদের শান্তনা দেয়ার ভাষা নেই। এই দুর্ঘটনা একটি পরিবারে পুরো অন্ধকার নেমে এসেছে।'
এসআই/এমএ