ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
নিরাপদ খাদ্য ও প্রাণিসম্পদ রক্ষায় বাকৃবিতে গবেষণা প্রকল্পের উদ্বোধন
✎ অবজারভার প্রতিনিধি
⏲ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪৮ পিএম
X

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) "ওয়ান হেলথ দৃষ্টিভঙ্গিতে জলবায়ু-স্মার্ট পদ্ধতির মাধ্যমে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলা এবং পশুপালন খাতে খাদ্য নিরাপত্তা সুরক্ষা" শীর্ষক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) – একাডেমিক ট্রান্সফরমেশন ফান্ড (এটিএফ) প্রকল্পটি এই কর্মশালার জন্য অর্থায়ন করেছে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনফারেন্স হলে প্রকল্পের উপ-প্রকল্প ব্যবস্থাপক কার্যালয়ের আয়োজনে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। গেস্ট অফ অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাকৃবির ফার্মাকোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান এবং বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান।

স্বাগত বক্তব্য দেন ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জহুরুল ইসলাম। প্রকল্পের সার্বিক উদ্দেশ্য, কর্মপরিকল্পনা এবং প্রত্যাশিত ফলাফল তুলে ধরেন প্রকল্পের উপ-প্রকল্প ব্যবস্থাপক অধ্যাপক ড. মো. মাহমূদুল হাসান শিকদার।

প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, এই প্রকল্পটি আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্যও উপকারী হবে, কারণ এটি তাদের আরও উন্নত সুবিধা এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি আমাদের বাকৃবি আরও সমৃদ্ধ হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশের যে বিষয়গুলো এখন জরুরি — পশুপালন থেকে শুরু করে ওয়ান হেলথ এবং মানবস্বাস্থ্য—সবকিছুকে মিলিয়ে এই প্রকল্পের মাধ্যমে যতটা সম্ভব সমস্যার সমাধান আপনারা সীমিত বাজেটের মধ্যেই করবেন বলে আমার বিশ্বাস।

বিশেষ অতিথি অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান বলেন, যে ব্যক্তি যে বিষয়ে দক্ষ, তাকে সেই ক্ষেত্রেই কাজের সুযোগ দেওয়া উচিত। হঠাৎ একটি প্রকল্প পেয়ে অন্যত্র চলে গেলে ল্যাবের কাজও ব্যাহত হয়, এবং বিভাগও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমি বিভিন্ন বিভাগকে বহুবার বলেছি, দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে হলে নিজের মূল দক্ষতার জায়গায় স্থির থাকতে হবে। বিশেষ করে ফার্মাকোলজি বিভাগের বড় কাজের সম্ভাবনা রয়েছে। উন্নত যন্ত্রপাতি, স্মার্ট ল্যাব অবকাঠামো এবং দক্ষ জনবল তৈরি হলে তার সুফল দীর্ঘসময় ধরে বিভাগ উপভোগ করবে। একটি ল্যাব আধুনিক হলে শুধুমাত্র সেই ল্যাব নয়, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ল্যাবরেটরি ও গবেষকরাও এর সুবিধা নিতে পারে।

উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা গবেষণার ক্ষেত্র বিস্তার, মাঠপর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নীতিনির্ধারণী সহায়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বক্তারা বলেন, টেকসই প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে গবেষণা, নীতিমালা এবং বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা প্রয়োজন।

এজে/আরএন


Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝