বিসিক ও বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের জিম্মিদশা থেকে মুক্তি চাইলেন চামড়া রপ্তানিকারক উদ্যোক্তারা। এসময় তারা রপ্তানি লাইসেন্স না পাওয়ার বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
শনিবার দুপুরে সাভারের হেমায়েতপুরে বিসিক চামড়া শিল্প নগরীতে আয়োজিত বাংলাদেশ চামড়া রপ্তানিকারক সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এসব কথা বলেন তারা।
বার্ষিক সাধারণ সভায় সমিতির সদস্যরা অভিযোগ করে বলেন, মূলত বিসিক ও বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদিচ্ছার অভাবেই তারা রপ্তানির লাইসেন্স পাচ্ছেন না। নিজেদের লাইসেন্স না থাকায় তারা সরাসরি চামড়া রপ্তানি করতে পারছেন না। যে কারণে তাদেরকে ট্যানারি মালিকদের উপর পুরোপুরি নির্ভর করতে হচ্ছে।
উদ্যোক্তারা আরও অভিযোগ করেন, লাইসেন্স না পাওয়ার কারণে তারা যেমন আর্থিক ক্ষতির মুখে পরছেন, তেমনি এই সেক্টরটাও একটা গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি হয়ে থাকছে।
সভায় উদ্যোক্তা এবং রপ্তানিকারকদের তোপের মুখে বিসিক ও বিটিএ প্রতিনিধিরা রপ্তানির লাইসেন্স পাওয়ার বিষয়ে সমিতির সবাইকে আশ্বাস্ত করেন। পাশাপাশি ভালো মানের চামড়া রপ্তানির প্রতিও জোর দেন।
বাংলাদেশ চামড়া রপ্তানিকারক সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন মোঃ আঃ হান্নান মজুমদার এবং সঞ্চালনা করেন মোঃ জসিম উদ্দিন।
পরে সকলের উপস্থিতিতে সংগঠনের আয়-ব্যয়ের বার্ষিক হিসাব প্রকাশ করা হয়।
ওএফ/এসআর