ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
তেঁতুলিয়ায় শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত
✎ অবজারভার সংবাদদাতা
⏲ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫২ এএম
X

হিমপ্রবণ জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় জেঁকে বসা তীব্র শীতে টানা শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন। হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় স্থবিরতা নেমে এসেছে স্বাভাবিক পথচলায়। বিশেষ করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষ।

সোমবার সকাল ৯টার দিকে তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ভোর ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 

রোববার সকাল ৯টার দিকে ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। শনিবার সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি ও শুক্রবার ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল। গত মঙ্গলবার থেকে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে অবস্থান করায় জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বইছে।

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ভোর সকালেই দেখা মিলেছে সূর্যের মুখ। পূবালী সূর্য রোদ ছড়ালে সকালে হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে জনসাধারণ। কনকনে ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচতে অনেক স্থানে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে অসহায় মানুষদের। তবে পেটের তাগিদে তীব্র শীত উপেক্ষা করেই কাজে বের হতে হচ্ছে চা শ্রমিক, পাথর শ্রমিক, দিনমজুরসহ নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষগুলো। টানা শৈত্যপ্রবাহ ও কয়েকদিন সূর্যের মুখ দেখা না যাওয়ায় বিপর্যস্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সীমান্তবর্তী জনসাধারণের।

ভ্যানচালক কালাম বলেন, 'ভাই খুবই ঠান্ডা। ঠান্ডার কারণে ভ্যানে যাত্রী উঠতে চায় না। ভোর সকালে ভ্যান চালাতে গিয়ে হাত দুটো যেন অবশ হয়ে আসে। ইনকাম কমে যাওয়ায় পরিবার নিয়ে খুবই অভাব অনটনে যাচ্ছে।'

চা শ্রমিকরা জানান, এমন প্রচন্ড ঠান্ডা, হাত-পা অবশ হয়ে আসে। মনে হয় তাপমাত্রা শূন্যের নিচে নেমে গেছে। রাতে টিনের চালে বৃষ্টির মতো শিশির পড়ার শব্দ শোনা যায়। কিন্তু কাজ না করলে তো পরিবার চলবে না, তাই বাধ্য হয়েই বের হতে হয়েছে।

শীতের কারণে গৃহস্থালি কাজেও পড়েছে নেতিবাচক প্রভাব। আলেয়া ও ফিরোজা নামের স্থানীয় দুই নারী বলেন, রাতভর বৃষ্টির মতো শিশির ঝরে। ঘরের আসবাবপত্র আর মেঝে বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে যাওয়ায় নিত্যদিনের কাজ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

এদিকে, শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে জেলায় বাড়ছে শীতজনিত রোগব্যাধি। পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সর্দি, জ্বর, কাশি, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। এদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধের সংখ্যাই বেশি। চিকিৎসকরা সুস্থ থাকতে পর্যাপ্ত গরম কাপড় পরা এবং ঠান্ডা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন।

পঞ্চগড়ের প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ বলেন, 'জেলায় তাপমাত্রা কয়েকদিন ধরেই উঠানামা করছে। সোমবার সকাল ৯টার দিকে তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ভোর ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ তাপমাত্রায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে।'

এসকে/এমএ


Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000.

Phone: PABX- 41053001-06; Online: 41053014; 01550707296 Advertisement: 41053012; 01550707291, E-mail: [email protected] [email protected]
🔝