For English Version
শনিবার, ০৪ জুলাই, ২০২০
হোম জাতীয়

পদ্মা সেতুর ১৪ নম্বর পিলারে স্প্যান বসানো পেছালো

Published : Monday, 20 May, 2019 at 3:03 AM Count : 272

পদ্মা নদীতে নাব্যতা সংকট এবং ১৪ নম্বর পিলারে লিফটিং হ্যাঙ্গার না বসাতে পারার কারণে একাদশ স্প্যান ৩-বি পিলারের ওপর বসানোর সিডিউল পেছালো পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষ। এছাড়া জাজিরা ও মাওয়া প্রান্তে অস্থায়ীভাবে আরও দুইটি স্প্যান বসানো হয়েছে। সর্বশেষ গত ৬ ই মে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের মাঝামাঝি স্থানে অস্থায়ীভাবে পদ্মা সেতুর ১২ তম স্প্যান বসানো হয়। ১০টি স্থায়ী ও ২টি অস্থায়ী মিলে মোট ১২টি স্প্যান বসানো হয়েছে।

পদ্মা সেতুর ৪১টি স্প্যানের মধ্যে বসানো হয়েছে ১২টি স্প্যান। আরও ২৯টি স্প্যান বসবে। এছাড়া ১৩ তম স্প্যানটি এ মাসের ২৭ তারিখের মধ্যে বসানোর কথা রয়েছে।

পদ্মা সেতুর উপ সহকারি প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির এ খবর নিশ্চিত করেন।





১৩ তম স্প্যানটি মাওয়া প্রান্তের সেতুর ১৪ ও ১৫ নম্বর পিলারের ওপর বসানোর কথা রয়েছে। এর আগে কয়েক দফায় এই স্প্যানটি বাসানোর তারিখ পরিবর্তন করা হয়। 

প্রকৌশল সূত্র জানা যায়, মাওয়া কন্সট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে তিন হাজার ৬০০ টন ধারণ ক্ষমতার ‘তিয়ান ই’ ভাসমান ক্রেন ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যরে প্রতিটি স্প্যান বহন করে। এরপর বসানো হয় পিলারের ওপর। তবে স্প্যান ভাসমান ক্রেনে নিয়ে যাওয়ার জন্য লিফটিং হ্যাঙ্গার নেই। লিফটিং হ্যাঙ্গার ২৬ নম্বর পিলার এলাকায় পাইলিংয়ের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া স্প্যান বহনকারী ক্রেনের রুটে নদীতে নাব্যতা সংকট রয়েছে। পাইলিং কাজ শেষে স্প্যান বসানোর একটি তারিখ নির্ধারণ করা হবে। আনুমানিকভাবে ২৫-২৭ মে’র মধ্যে স্প্যান বসানো হতে পারে।

১৩ তম স্প্যানটি বসানো হলে সেতুর মোট ১৯৫০ মিটার দৃশ্যমান হবে। জাজিরা প্রান্তে সেতুর ১৩৫০ মিটার ও মাওয়া প্রান্তের একটি স্থায়ী ও একটি অস্থায়ী স্প্যান মিলে মোট ৩০০ মিটার এবং সেতুর মাঝ বরাবর ৫-এফ স্প্যানটি অস্থায়ীভাবে বসানো শেষ হওয়ায় সেতুর মোট ১৮০০ মিটার বা দেড় কিলোমিটার আগেই দৃশ্যমান আছে। তবে, স্প্যানগুলো ভিন্ন ভিন্ন মডিউলে বসানোর কারণে দৃশ্যমান অংশগুলো এক সারিতে নয় বরং, বিচ্ছিন্নভাবে থাকবে।

বহুমুখী পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে সবমিলিয়ে খরচ হচ্ছে প্রায় ৩০ হাজার ১৯৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে মূল সেতু নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১২ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদী শাসনের কাজ করছে সে দেশেরই আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দুই স্তর বিশিষ্ট। স্টিল ও কংক্রিট দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো। সেতুর ওপরের স্তরে থাকবে চার লেনের সড়কপথ এবং নিচের স্তরটিতে থাকবে একটি একক রেলপথ। বিশ্বের সবচেয়ে বড় হ্যামার দিয়ে কাজ চলছে পদ্মা সেতুর। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এ সেতু নির্মাণে প্রতিদিন দেশি-বিদেশী ৩-৪ হাজার শ্রমিক কাজ করছে।
এমএইচএস/এইচএস  


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60, Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft