ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের পঞ্চম চালান
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:১৫ এএম
সংগৃহীত ছবি
X

সংগৃহীত ছবি

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ইউরেনিয়াম জ্বালানির আরও একটি চালান দেশে পৌঁছেছে। কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে জ্বালানিবাহী লরিগুলো প্রকল্প এলাকায় প্রবেশ করে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে ইউরেনিয়ামের এই চালান প্রকল্প এলাকায় পৌঁছায়। এ নিয়ে চলতি দফায় মোট পাঁচটি চালান রূপপুর প্রকল্প এলাকায় এসে পৌঁছেছে। এর আগে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে চারটি চালান পৌঁছেছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের পরিকল্পনা অনুযায়ী, রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের প্রাথমিক জ্বালানি হিসেবে ১৬৩টি ইউরেনিয়াম অ্যাসেম্বলি এবং প্রথম ইউনিটের অতিরিক্ত জ্বালানি হিসেবে ৪৮টি অ্যাসেম্বলি সরবরাহ করা হচ্ছে। মোট নয়টি চালানে এসব পারমাণবিক জ্বালানি বাংলাদেশে আনা হচ্ছে। বাকি চালানগুলো আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ধাপে ধাপে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।


রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরের শেষ দিকে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পর ২৯ ও ৩০ অক্টোবর পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।

সংশ্লিষ্টদের আশা, সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই রূপপুরের উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে, অর্থাৎ ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে বা তার আগেই জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে।

বর্তমানে কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট ২০ শতাংশ তাপীয় ক্ষমতায় পরিচালিত হচ্ছে। এই সক্ষমতা ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশে পৌঁছালে উৎপাদিত বাষ্পের সাহায্যে টারবাইন ঘোরানো হবে। এর মাধ্যমে জেনারেটর চালু হয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে।


প্রাথমিক পর্যায়ে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে বিজ্ঞানীদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ধাপে ধাপে উৎপাদন বাড়ানো হবে।

লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, প্রথম ছয় মাসের মধ্যে প্রথম ইউনিট থেকে ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবীর হোসেন জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই এক ধাপ থেকে অন্য ধাপে যাওয়ার আগে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। কোনো কারিগরি ত্রুটি কিংবা ভাল্ব পরীক্ষায় সন্তোষজনক ফল পাওয়া না গেলে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ বারবার পরীক্ষা ও মেরামত করা হচ্ছে।


রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিট পুরোপুরি চালু হলে এখান থেকে জাতীয় গ্রিডে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

সাশ্রয়ী ও কার্বন নিঃসরণমুক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে নির্মিত এই কেন্দ্রটি চালু হলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি জ্বালানি খাতে বৈচিত্র্য আনতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।


  এফএস 
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১
E-mail: [email protected], [email protected]. [email protected], [email protected], [email protected], ‍[email protected], Online-email: [email protected]

🔝