ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
পিডিবির গাড়ির কাগজপত্রের জটিলতায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন,ভোগান্তিতে সেবাগ্রহণকারীরা
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ এএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামে পিডিবির একটি প্রকল্পের গাড়ির কাগজপত্র হালনাগাদ নিয়ে বিআরটিএর সঙ্গে জটিলতার জেরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের ঘটনা ঘটেছে। এতে টানা চার ঘণ্টা বিআরটিএ কার্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। ভোগান্তিতে পড়েন হাজারো সেবাগ্রহীতা।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল সোয়া ১০টা থেকে দুপুর সোয়া ২টা পর্যন্ত চট্টগ্রামের হাটহাজারী রোডের নতুনপাড়া এলাকায় বিআরটিএ কার্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ ছিল। এ সময় গাড়ির ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেনসহ বিভিন্ন কাগজপত্র হালনাগাদ করতে আসা গ্রাহকদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়।

বিআরটিএ কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, পিডিবির একটি প্রকল্পের গাড়ির কাগজপত্র হালনাগাদ করতে গিয়ে সরকারি নিয়ম ও আইবাস কোডের জটিলতা দেখা দেয়। গাড়িটি প্রকল্প পরিচালকের নামে নিবন্ধিত থাকায় পিডিবির কোডে ফি জমা দেওয়ার সুযোগ ছিল না। বিষয়টি পিডিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছিল। এর জেরেই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে বলে অভিযোগ বিআরটিএর।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে পিডিবি। সংস্থাটির কর্মকর্তাদের দাবি, বিআরটিএর কাছে বিদ্যুৎ বিল বকেয়া ছিল ৮৩ হাজার টাকা। পাশাপাশি একটি প্রিপেইড মিটারে ১৩ হাজার ২০০ টাকা বকেয়া থাকায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এ বিষয়ে আগে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি তাদের।

বিআরটিএর দাবি, তাদের কাছে প্রায় ৮৩ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া ছিল। তবে এ বিষয়ে আগে না জানিয়েই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। পরে দুপুর সোয়া ২টার দিকে পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়।

এদিকে ২৯ অক্টোবর মোটরযানের কাগজপত্র জরিমানা ছাড়া হালনাগাদের শেষ দিন হওয়ায় দূরদূরান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ বিআরটিএ কার্যালয়ে এসেছিলেন। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এতে অনেক সেবাগ্রহীতা প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারেননি। কার্যালয়ের ভেতরে যানবাহন আটকে থাকায় পাশের হাটহাজারী সড়কেও যানজট সৃষ্টি হয়।

দুই সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গাড়ির কাগজপত্র ও বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বিরোধ থাকতেই পারে। কিন্তু সেই বিরোধের মাশুল কেন সাধারণ মানুষকে দিতে হবে? একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকলে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ নাগরিকরাই।

পিডিবির গাড়ির কাগজপত্র হালনাগাদ না হওয়া কিংবা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকার দায় কোনোটিই সাধারণ মানুষের নয়। তাহলে দুই প্রতিষ্ঠানের বিরোধে জনগণের সেবা কেন বন্ধ থাকবে? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়হীনতা ও দায়িত্বহীনতার জবাবদিহি কে করবে- এমন প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে।

 এফএস
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১
E-mail: [email protected], [email protected]. [email protected], [email protected], [email protected], ‍[email protected], Online-email: [email protected]

🔝
Advertisement