মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন কর্মীদের লক্ষ্যবস্তু বানাতে ইরান তৎপরতা বাড়িয়েছে- এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মধ্যপ্রাচ্যের চারটি মার্কিন দূতাবাসে কর্মী সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মার্কো রুবিওকে পাঠানো এক গোপনীয় স্মারকে এই সতর্কবার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের পরিচালক জে ক্লেটন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) পাঠানো ওই স্মারকে উল্লেখ করা হয়, মার্কিন নাগরিকদের লক্ষ্য করে ইরানের প্রাণঘাতী ষড়যন্ত্রের প্রয়াস মধ্যপ্রাচ্য ও অন্যান্য কয়েকটি দেশে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) সংগৃহীত ও অ্যাক্সিওসে প্রথম প্রকাশিত এই স্মারকপত্রের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের তিন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন কূটনৈতিক মিশনগুলোর নিরাপত্তা জোরদার ও উপস্থিতি সীমিত করার এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
স্মারকলিপিটি প্রকাশ্যে আসার কিছুক্ষণ পরই মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, জর্ডান, লেবানন, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মার্কিন দূতাবাসগুলোতে কর্মী কমানো হচ্ছে। ওই তিন কর্মকর্তা জানান, ইরান এবং ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে আসা হুমকির কারণেই এই কর্মী সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলোতে বর্তমানে ‘সীমিত কার্যক্রম’ চলছে। তবে দূতাবাসগুলো খোলা থাকবে বলে জানা গেছে। এর আগে বুধবার সৌদি আরবে অপ্রয়োজনীয় মার্কিন কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের দেশটি ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়। তবে বাকি চার দেশের কর্মীদের এখনই চলে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে না।
এসএ