ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
২০২৭ সালেও জ্বালানি সংকট চলবে, সতর্ক করল আইইএ
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪৫ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

২০২৭ সালেও বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরোল। বিকল্প জ্বালানির উৎস অনুসন্ধান ও সরবরাহের নিরাপত্তা জোরদারে বিভিন্ন দেশ উদ্যোগ নিলেও আগামী বছর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত ‘ইনভেস্টমেন্ট সামিট টুওয়ার্ডস কপ-৩১’ সম্মেলনে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন ফাতিহ বিরোল।

তিনি বলেন, বিশ্ব পরিস্থিতি ও বিভিন্ন দেশের জ্বালানিনীতির পর্যালোচনায় আগামী বছর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার মতো কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। ২০২৭ সালে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, এমন আশাবাদী হওয়ার মতো কোনো যুক্তিও তিনি খুঁজে পাচ্ছেন না।

বিরোলের আশঙ্কা, নতুন কোনো সংকট তৈরি না হলেও আগামী বছর বিশ্বকে বর্তমান জ্বালানি সংকটের প্রভাব কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

আইইএর নির্বাহী পরিচালক বলেন, হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে চলমান সংকট অর্থনীতি, কৃষি ও জ্বালানি খাতকে প্রভাবিত করছে। এর ফলে বিভিন্ন দেশের সরকার, কোম্পানি ও বিনিয়োগকারীরা স্বল্পমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশল নতুন করে পর্যালোচনা করতে বাধ্য হচ্ছেন।

আনাদোলু এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৩ ও ১৯৭৯ সালের তেলসংকটের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করেন বিরোল। তাঁর মতে, ওই দুই সংকট পারমাণবিক জ্বালানির উন্নয়ন এবং যানবাহনের জ্বালানিদক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগকে ত্বরান্বিত করেছিল।

কপ-৩১ সম্মেলনকে তুরস্কের জন্য ‘সোনালি সুযোগ’ এবং বিশ্বের জন্য বড় সম্ভাবনা হিসেবে উল্লেখ করেন ফাতিহ বিরোল। তাঁর মতে, বর্তমান সংকটকে কাজে লাগিয়ে সম্মেলনে বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পক্ষে বৈশ্বিক সমর্থন তৈরি করা সম্ভব।

বিশ্বের মোট জ্বালানি ব্যবহারে বিদ্যুতের অংশ বর্তমানের ২৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২০৩৫ সালের মধ্যে ৩৫ শতাংশে উন্নীত করার প্রস্তাব দেন তিনি। এ লক্ষ্য অর্জনে আনতালিয়ায় অনুষ্ঠেয় কপ-৩১ সম্মেলনে বিভিন্ন দেশকে প্রতিশ্রুতিতে স্বাক্ষরের আহ্বান জানান।

বিরোল বলেন, বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানো গেলে একদিকে জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার হবে, অন্যদিকে কার্বন নিঃসরণ কমানো সম্ভব হবে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মতপার্থক্য গভীর হওয়ার এই সময়ে বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানো দেশগুলোর জন্য একটি অভিন্ন লক্ষ্যে পরিণত হতে পারে।

এ ধরনের প্রতিশ্রুতি গৃহীত হলে বিনিয়োগকারী ও পুঁজিবাজারের কাছেও ইতিবাচক ও সুস্পষ্ট বার্তা পৌঁছাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আইইএ প্রধানের মতে, কপ-৩১ সম্মেলনের সাফল্য মূল্যায়নে দুটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হবে- কতটি দেশ এতে অংশ নিচ্ছে এবং বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়ে দেশগুলো কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারছে কি না।

-টিএস
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement