ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
বাঁওড়ের উন্নয়ন ও জেলেদের জীবিকা সমৃদ্ধ করতে ৪৭ কোটি টাকার প্রকল্প
✎ অবজারভার প্রতিবেদক
⏲ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১২ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চার জেলার ২৯টি বাঁওড়ের মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও প্রকৃত মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে ৪৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি প্রকল্প প্রস্তাব করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। ‘নির্বাচিত বাঁওড় এলাকায় সমাজভিত্তিক মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক এ প্রকল্পের আওতায় যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার বাঁওড়গুলোতে মাছের উৎপাদন অন্তত ১০ শতাংশ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়া বাঁওড়ের নির্বাচিত অংশ খনন, মাছের অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা, পোনা উৎপাদন অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হবে। বাঁওড় খননে ১১ কোটি ২১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা এবং ২৯টি অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠায় ২ কোটি ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ ছাড়া ৩৫টি পোনা উৎপাদন পুকুর সংস্কার, ছয়টি গভীর নলকূপ স্থাপন, ছয়টি বাঁওড় ব্যবস্থাপকের অফিস ভবন পুনর্নির্মাণ এবং পাঁচ বছরে ২৯০টি বিল নার্সারি স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। দেশীয় ও রুইজাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করেও উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালে প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। পরে জনবল কাঠামোর অনুমোদন পাওয়ার পর উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পটির প্রস্তাবিত ব্যয় ও কার্যক্রম মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, বাঁওড়গুলোতে মাছের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় মৎস্যজীবীদের সম্পৃক্ত করে কার্যকর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলাই প্রকল্পের লক্ষ্য। অভয়াশ্রমের নির্ধারিত এলাকায় মাছ আহরণ নিয়ন্ত্রিত থাকবে, যাতে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও বংশবিস্তারের সুযোগ তৈরি হয়। বর্ষা মৌসুমে মাছ আশপাশের নদী ও বিলে ছড়িয়ে পড়লে সেখান থেকে জেলেরা মাছ আহরণ করতে পারবেন।

মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মো. খালেদ কনক বলেন, অনেক বাঁওড় অগভীর হয়ে যাওয়ায় মাছের বসবাস ও উৎপাদনের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রকল্পের মাধ্যমে জলাশয়ের উন্নয়নের পাশাপাশি প্রকৃত মৎস্যজীবীদের তালিকা হালনাগাদ এবং তাঁদের অধিকার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, প্রকল্পের ব্যয়, অবকাঠামোর প্রয়োজনীয়তা, সরঞ্জামের বাজারদর ও জনবলের যৌক্তিকতা মূল্যায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় পর্যালোচনার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাঁওড়ের প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জেলেদের আয় ও জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement