
ফাইল ছবি
বুধবার সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধ ব্যক্তিদের রাত ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট ও জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি পাঁচজন হলেন মো. জামাল, মো. টিপু, মো. ফয়সাল, বাবুল ও মোহাম্মদ শাহজাহান। তাঁদের বয়স ২৫ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে।
হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক হারুনুর রশিদ জানান, জামালের শরীরের ৬০ শতাংশ, টিপুর ৯০ শতাংশ, ফয়সালের ২৫ শতাংশ, বাবুলের ৮ শতাংশ এবং শাহজাহানের ৪ শতাংশ পুড়ে গেছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় জামাল ও টিপুকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছে। অন্য তিনজনকে জরুরি বিভাগের পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া ছয়জনের মধ্যে দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, দুজনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সুলতান মাহমুদ সিকদার জানান, শিবলু মিয়ার শরীরের ১৩ শতাংশ, পিয়াসের ৩ শতাংশ, সুমনের ৪ শতাংশ, সরাফের ২০ শতাংশ, ছাদেকুরের ১৫ শতাংশ এবং রাকিবের ১০ শতাংশ পুড়ে গেছে। সরাফ ও ছাদেকুরকে ভর্তি করা হয়েছে। শিবলু মিয়া ও রাকিবকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। পিয়াস ও সুমনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এসএস