ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিরোধী জোট ইন্ডিয়া ও বিভিন্ন সংগঠনের বিক্ষোভ ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তার দায়িত্বে মোতায়েন প্রায় ২০ হাজার আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যকে অন্তত এক মাস দিল্লিতে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিক্ষোভ ও আসন্ন উৎসবের মৌসুমে জনসমাগম বাড়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিক্ষোভের জন্য রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান ও সিবিডি ময়দান নির্ধারণ করা হয়েছে। এত দিন নির্ধারিত স্থান যন্তর মন্তরের স্বীকৃতি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আবেদন জমা দিতে সুপ্রিম কোর্টের দিকে পদযাত্রা করেন বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার নেতারা। এতে নেতৃত্ব দেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রা।
বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লির সীমান্ত, রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল ও অন্যান্য স্পর্শকাতর স্থানে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। যানবাহনে তল্লাশির পাশাপাশি হোটেল, অতিথিশালা, লজ ও ধর্মশালায় পরিচয় যাচাই অভিযান জোরদার করেছে পুলিশ।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে নয়াদিল্লি জেলাকে ২০টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। আধাসামরিক বাহিনীর পাশাপাশি দিল্লি পুলিশের বিপুলসংখ্যক সদস্যও দায়িত্ব পালন করছেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে কর্মসূচিকে বৃহত্তর গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ হিসেবে তুলে ধরে শিক্ষার্থী ও নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোকেও এতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানায় বিরোধী জোট।