স্বস্তির ইঙ্গিত মিলছে জ্বালানি তেলের বাজারে। কমেছে দামও। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে তেলের বাজারে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দুই প্রধান সূচক ব্রেন্ট ও ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) উভয়ের দামই কমতে দেখা গেছে।
এদিন ব্রেন্ট ক্রুডের ডিসেম্বর সরবরাহের ফিউচার দর ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০৩ দশমিক ৩৩ ডলারে নেমেছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) নভেম্বর সরবরাহের ফিউচার দর কমেছে ১ দশমিক ৬৮ শতাংশ। এতে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম দাঁড়িয়েছে ৯০ দশমিক ৩১ ডলারে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে যে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, তা কমার সম্ভাবনা তেলের দামের ওপর প্রভাব ফেলেছে।
কী বলেছেন ট্রাম্প ও জেলেনস্কি
রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে অবিলম্বে ‘জ্বালানি যুদ্ধবিরতি’ কার্যকর হয়েছে। দুই পক্ষ এতে সম্মত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এক পোস্টে বলেন, ইউক্রেন এই যুদ্ধবিরতিকে সমর্থন করে। রাশিয়াও যেন এতে সমর্থন জানায়, সেটি গুরুত্বপূর্ণ।
তবে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়, তার ওপর জ্বালানি সরবরাহের পরিস্থিতি অনেকাংশে নির্ভর করবে।
রাশিয়ার ডিজেল সরবরাহ বাড়ার সম্ভাবনা
বিশ্ববাজারে রাশিয়ার জ্বালানি সরবরাহ বাড়ার সম্ভাবনাও তেলের দামের ওপর প্রভাব ফেলছে।
ট্রাম্প শুক্রবার জানিয়েছিলেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে টেলিফোনে আলোচনার সময় হওয়া সমঝোতা অনুযায়ী রাশিয়া বিশ্ববাজারে ৪০ লাখ টনের বেশি ডিজেল সরবরাহ করবে।
রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানি বাড়লে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহের চাপ কিছুটা কমতে পারে। এতে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে আসার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
এস