ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ঘৃণামূলক বার্তার শিকার আর্জেন্টিনা
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৯ এএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের তিন মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদ্বেষমূলক বার্তা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ফিফা। সংস্থাটির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, বিশ্বকাপ চলাকালে সবচেয়ে বেশি ঘৃণামূলক বার্তার শিকার হয়েছে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল। টুর্নামেন্ট যত এগিয়েছে, দলটির বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বার্তার সংখ্যাও তত বেড়েছে। খবর টিওয়াইসি স্পোর্টসের। 

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের প্রাক্কালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সুরক্ষা পরিষেবা (এসএমপিএস) পরিচালিত এই গবেষণায় ২০২৬ সালের ৯ জুন থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। এতে এক্স, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও টিকটক থেকে সংগৃহীত ১ কোটি ৭১ লাখেরও বেশি পোস্ট ও মন্তব্য পর্যালোচনা করা হয়েছে।

আর্জেন্টিনার পর সবচেয়ে বেশি বিদ্বেষমূলক আক্রমণের শিকার হয়েছে ইংল্যান্ড, স্পেন, ব্রাজিল ও নরওয়ে। আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিকে ঘিরে সমালোচনার বড় অংশজুড়ে ছিল কথিত রেফারিং-সুবিধা পাওয়ার অভিযোগ। 

দলকে লক্ষ্য করে আক্রমণের ক্ষেত্রে আর্জেন্টিনা শীর্ষে থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বার্তার তালিকায় দেশটির খেলোয়াড়দের অবস্থান ছিল চতুর্থ। এ ক্ষেত্রে তাদের ওপরে ছিল ফ্রান্স, ইংল্যান্ড ও পর্তুগালের খেলোয়াড়েরা।

ব্যক্তিগত আক্রমণের বড় একটি অংশ ছিল বর্ণবাদী। বিশেষ করে আফ্রিকান বংশোদ্ভূত কয়েকজন খেলোয়াড়কে লক্ষ্য করে এ ধরনের মন্তব্য করা হয়। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি হয়রানির শিকার হওয়া খেলোয়াড়ের পরিচয় গোপন রেখেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে ওই খেলোয়াড়কে বর্ণবাদ, সমকামিতাবিদ্বেষ, নারীবিদ্বেষ ও ট্রান্সজেন্ডারবিরোধী বিদ্বেষের মুখোমুখি হতে হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদেশিবিদ্বেষমূলক বার্তার প্রধান লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা, আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। এসব বার্তায় অভিবাসন, জাতীয় পরিচয় এবং দলের খেলোয়াড় নির্বাচনের মতো বিষয় উঠে এসেছে।

তবে বিদ্বেষমূলক আচরণের ক্ষেত্রে আর্জেন্টিনার সমর্থকেরাও পিছিয়ে ছিলেন না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্ণবাদী বার্তা ছড়ানোর ক্ষেত্রে আর্জেন্টিনা ছিল শীর্ষে। অঞ্চলভিত্তিক হিসাবে ইউরোপ থেকে সবচেয়ে বেশি সাধারণ বিদ্বেষমূলক আক্রমণ এসেছে। এরপর রয়েছে দক্ষিণ আমেরিকা।

বিশ্বকাপে সবচেয়ে গুরুতর হুমকিগুলোর লক্ষ্যবস্তু ছিলেন ম্যাচ পরিচালনাকারী রেফারিরা। ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করে হয়রানি বাড়ানোর চেষ্টা যা ‘ডক্সিং’ নামে পরিচিত তার অধিকাংশ শিকার হয়েছেন তারা।

রেফারিদের বিরুদ্ধে এসব আক্রমণের পেছনে প্রধানত ছিল দুর্নীতি ও ম্যাচ পাতানোর সন্দেহ। অর্থাৎ, ম্যাচ পরিচালনা নিয়ে অসন্তোষ থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের চেষ্টা পর্যন্ত নানা ধরনের হয়রানির মুখে পড়েছেন তারা।

এসএ
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement