সংগৃহীত ছবি
শনিবার (৩ অক্টোবর) বিমানবন্দর এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় আটক ব্যক্তিদের মধ্যে তোফাজ্জল হোসেন (৩৭), জসিম উদ্দিন (৩৯), আরাফাত হোসাইন (২৮), আরিফ (৪২), মো. আলামিন গাজী (৩৭), রূপবান বেগম (৩৯) ও এম. এ. মতিন (৩০) রয়েছেন।
এপিবিএন জানায়, বিমানবন্দরের গোলচত্বরের উত্তর পাশে গোপন অভিযান চালানোর সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় এয়ারপোর্ট এপিবিএনের সদস্যরা পাঁচজনকে আটক করেন। পরে তাদের এপিবিএন কার্যালয়ে নিয়ে শরীর তল্লাশি করে ৪৮৪.২ গ্রাম স্বর্ণালংকার, দুটি ল্যাপটপ, আটটি মোবাইল ফোন ও তিন কার্টন সিগারেট উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে, বিমানবন্দরের আগমনী ২ নম্বর ক্যানোপি সংলগ্ন পাকা সড়কে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার সময় রূপবান বেগমকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদ ও শরীর তল্লাশি করে তার কাছ থেকে ৯৮.৭ গ্রাম স্বর্ণালংকার ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া বিমানবন্দরের মূল প্রবেশপথের গোলচত্বরের পশ্চিম পাশে পাকা সড়কে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরার সময় এম. এ. মতিনকে আটক করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও শরীর তল্লাশি করে ১৯৮.৪ গ্রাম স্বর্ণালংকার ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
এপিবিএন জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা স্বীকার করেছেন, উদ্ধার করা স্বর্ণালংকারগুলো বিভিন্ন দেশ থেকে অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের মাধ্যমে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে আনা হয়েছিল। তারা দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দরভিত্তিক স্বর্ণ চোরাচালান সিন্ডিকেটের ‘রিসিভার’ হিসেবে যুক্ত ছিলেন।
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শনিবার বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫বি(১)(বি)/২৫-ডি ধারায় পৃথক তিনটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট এপিবিএনের পুলিশ সুপার (অপারেশন্স) মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধ ও অন্যান্য অপরাধ দমনে এয়ারপোর্ট এপিবিএন সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। স্বর্ণ ও মাদক চোরাচালানসহ সব ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে তাদের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
এসএস