৫১তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক সিলেবাস প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এ পরীক্ষায় কোনো প্রিলিমিনারি পরীক্ষা থাকছে না। ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে নভেম্বরে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পিএসসির ওয়েবসাইটে সিলেবাস প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, লিখিত পরীক্ষা ২০২৬ সালের নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হতে পারে। পরীক্ষার নির্দিষ্ট তারিখ ও সময় পরে জানানো হবে।
এ বিশেষ বিসিএসে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে মোট ৩০০ নম্বরে প্রার্থী বাছাই করা হবে। লিখিত পরীক্ষায় থাকবে ২০০টি এমসিকিউ প্রশ্ন। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর এবং ভুল উত্তরের জন্য ০.৫০ নম্বর কাটা হবে।
লিখিত পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে ২০ নম্বর করে থাকবে। মানসিক দক্ষতা ও গাণিতিক যুক্তিতে থাকবে ১০ নম্বর করে। সংশ্লিষ্ট ক্যাডার বা পদের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়ে থাকবে ১০০ নম্বর।
বিশেষ বিসিএস হওয়ায় লিখিত পরীক্ষা শুধু ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ৫১তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা-২০২৬-এর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। এর মাধ্যমে স্বাস্থ্য ক্যাডারে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ৪ হাজার ৭০০ জন সহকারী সার্জন বা মেডিক্যাল অফিসার এবং ৩০০ জন সহকারী ডেন্টাল সার্জন নিয়োগ পাবেন।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর যাদের বয়স ২১ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে, তারা এ পরীক্ষায় আবেদন করতে পারবেন। আবেদন শুরু হবে ১ অক্টোবর সকাল ১০টায় এবং চলবে ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।
সাধারণ প্রার্থীদের আবেদন ফি ২০০ টাকা। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য ফি ৫০ টাকা। এর সঙ্গে টেলিটকের ভ্যাট ও তথ্য যাচাই বাবদ আরও ৫ টাকা দিতে হবে। আবেদন শেষে ইউজার আইডি পাওয়া প্রার্থীরা পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফি জমা দিতে পারবেন।
শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনের প্রক্রিয়ায় থাকা প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। তবে তাদের সব লিখিত পরীক্ষা ২৫ অক্টোবরের মধ্যে শেষ হতে হবে। মৌখিক পরীক্ষার সময় দেশি বা বিদেশি ডিগ্রির সমমানের সনদ এবং বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে আবেদন করতে হবে।
পিএসসি জানিয়েছে, দ্রুত প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া শেষ করে চিকিৎসকদের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে পদায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন পদ সৃষ্টি, পদ বিলুপ্তি, পদোন্নতি ও অন্যান্য কারণে শূন্য পদের সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, পরীক্ষায় তদবির করলে প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে। মিথ্যা তথ্য দেওয়া, সনদ জাল করা বা পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোনসহ কোনো ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে অসদুপায় অবলম্বন করলে প্রার্থিতা বাতিলের পাশাপাশি ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া বা ভবিষ্যতে সরকারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণে অযোগ্য ঘোষণা করা হতে পারে।
এসএস