মার্কিন নিষেধাজ্ঞার চাপে ইরানের আকাশপথ ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে। প্রতিবেশী ও আঞ্চলিক দেশগুলো একের পর এক ইরানি উড়োজাহাজের প্রবেশ ও চলাচলে নিষেধাজ্ঞা বা বিধিনিষেধ আরোপ করছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানি বিমান সংস্থাগুলোর দেশটিতে আসা-যাওয়া সব উড়োজাহাজ চলাচল স্থগিত করেছে। ওমানও ইরানি উড়োজাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। তুরস্কে ইরানের মেহান এয়ারের তেহরান-ইস্তাম্বুল ও তেহরান-আঙ্কারা রুটের উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ হয়েছে।
এ ছাড়া ইরাক, আজারবাইজান, জর্জিয়া ও তুর্কমেনিস্তানেও ইরানি উড়োজাহাজের চলাচল সীমিত বা বন্ধ করার ঘটনা ঘটেছে। ফলে ইরানের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর আকাশ যোগাযোগে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে।
তুর্কমেনিস্তান তেহরান থেকে দুশানবেগামী একটি ইরানি উড়োজাহাজকে তাদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় সেটিকে ফিরে যেতে হয়েছে।
চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিমান চলাচল খাতের ২৭টি বিমান সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনে। ইরানি উড়োজাহাজকে জ্বালানি, অবতরণ ও অন্যান্য সেবা দেওয়া বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে পড়তে হচ্ছে।
এর ফলে ইরানের আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগ ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। তবে চীন ও আর্মেনিয়াগামী কয়েকটি ইরানি বিমান চলাচল এখনো অব্যাহত রয়েছে।
এফএস