ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
বিরোধী দলের সদস্যরা সমান অধিকার পাচ্ছেন না: বিরোধীদলীয় নেতা
✎ অবজারভার প্রতিবেদক
⏲ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫২ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

সংসদ সদস্যদের সরকারি বরাদ্দ ও দায়িত্ব বণ্টনে বিরোধী দলের সদস্যরা সরকারি দলের সমান অধিকার পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।

তার অভিযোগ, উন্নয়ন বরাদ্দে বিরোধী দলের নির্বাচিত সদস্যদের পাশাপাশি সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যরাও বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে এ অভিযোগ তোলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা যারা বিরোধীদলীয় সদস্য এখানে আছি, তারা আমাদের ন্যায্য অধিকারটা, সমানটা আমরা সব পাচ্ছি না।”

তার অভিযোগ, প্রথমে উন্নয়ন তহবিল বরাদ্দে বিরোধী দলের নির্বাচিত সদস্যরা বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। এরপর সরকারি দলের সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের বরাদ্দ দেওয়া হলেও বিরোধী দলের নারী সদস্যরা একই সুযোগ পাননি।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, “দেশটা সকলের। ট্রেজারিতে টাকা দেয় সবাই। ১৮ কোটি মানুষের অবদান এখানে আছে। কোনো ব্যক্তি, এলাকাকে পছন্দ-অপছন্দের ভিত্তিতে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করার কোনো সুযোগ নেই।”

নারী সদস্যদের দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে আপত্তি

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের নির্বাচনি এলাকায় দায়িত্ব দেওয়ার পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জামায়াতের আমির।

তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ এলাকার মানুষের কাছে সরাসরি দায়বদ্ধ।

তার ভাষায়, সেই এলাকায় আলাদা করে অন্য সদস্যকে দায়িত্ব দিলে সমন্বয়ের সমস্যা তৈরি হতে পারে।

শফিকুর রহমান বলেন, “জনগণ সরাসরি আমাদেরকে, যাদেরকে ভোট দিয়েছে, আমরা আমাদের নির্বাচিত এলাকার প্রত্যেকটি মানুষের কাছে দায়বদ্ধ।”

তিনি প্রস্তাব করেন, সরকারি দলের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যরা সরকারি দলের নির্বাচিত সদস্যদের সঙ্গে এবং বিরোধী দলের নারী সদস্যরা বিরোধী দলের নির্বাচিত সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করলে মতবিরোধ কমবে।

‘গণভোটে এক ছিলাম, শপথের পর সমস্যা’

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোটের প্রসঙ্গও তোলেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বলেন, গণভোট পর্যন্ত সরকার ও বিরোধী দল একই অবস্থানে ছিল। ওই পর্যন্ত তো আমরা এক ছিলাম। কিন্তু এরপরে যেদিন আমাদের শপথ হল, সেদিন থেকে এই জায়গাটায় আমাদের সমস্যা তৈরি হয়ে গেল এবং আজ পর্যন্ত এর কোনো সুরাহা নাই।”

তার অভিযোগ, সংস্কারের পক্ষে জনগণের রায় পাওয়ার পরও সেই রায় বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।

তিনি বলেন, “সংসদ নির্বাচনের আমরা যতটুকু হোক কার্যকারিতা পেলাম, কিন্তু গণভোটের কোনো সুরাহা নাই।”

‘ফ্যাসিবাদ যাতে আর ফিরে না আসে’

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তাদের লক্ষ্য কোনো নির্দিষ্ট দলকে ক্ষমতায় আনা বা ক্ষমতার বাইরে রাখা নয়।

তিনি বলেন, “জাতীয়তাবাদী দল ক্ষমতায় আসুক, আলহামদুলিল্লাহ। জনগণ আমাদেরকে পাঠাক, আলহামদুলিল্লাহ। অন্য কোনো দলকে নির্বাচন করুক, আলহামদুলিল্লাহ।”

যে দলই সরকার গঠন করুক, দেশে যেন আবার ফ্যাসিবাদ, বৈষম্য ও রাজনৈতিক নিপীড়ন ফিরে না আসে, বলেন শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, “আমরা চেয়েছিলাম যে দলটি নির্বাচিত হয়ে দেশ এবং জনগণকে পরিচালনা করবে, সরকার গঠন করবে, তাদের মধ্যে আর যেন ফ্যাসিবাদ কাজ না করে, আর যেন কোনো বৈষম্য না হয়, আর যেন কোনো মায়ের বুক অপ্রয়োজনে অহেতুক খালি না হয়।”

‘সংস্কার বাস্তবায়নের সময় এখনো ফুরিয়ে যায়নি’

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা এবং জুলাই সনদের সংস্কার প্রস্তাবের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াতের আমির বলেন, শুধু সাধারণ আইন বা সংশোধনের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত সংস্কারের স্থায়িত্ব নিশ্চিত নাও হতে পারে।

তার মতে, সংসদে কোনো আইন বা সংশোধনী পাস হলেও তা পরে আদালতে চ্যালেঞ্জ হতে পারে।

শফিকুর রহমান বলেন, “আজকে এখানে কোনো বিল আকারে আসবে, আমরা এটা পাস করে দেব, কালকে আদালত চাইলে এটাকে চ্যালেঞ্জ করে শেষ করে দেবে। এরকম উদাহরণ একটা নয়, দুইটা নয়, অনেক।”

তিনি বলেন, “আমি মনে করি সময় এখনো ফুরিয়ে যায়নি। আমি অনুরোধ করব, বিষয়টা সরকার যেন বিবেচনায় নিয়ে জনরায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে জন-আকাঙ্ক্ষাকে আমরা যেন বাস্তবায়ন করতে পারি।”

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়েও প্রশ্ন

বিচার বিভাগের স্বাধীনতার বিষয়েও সরকারের সমালোচনা করেন বিরোধীদলীয় নেতা।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে পৃথক সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের কথা তুলে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সেই ব্যবস্থা রাখেনি।

শফিকুর রহমান বলেন, “এই ওয়াদাটা বর্তমান সরকারের দলেরও ছিল। বিচার বিভাগকে স্বাধীনতা দেওয়া হবে। কিন্তু এটা এখন আবার হারিয়ে গেছে। জাতি এখানে এসে ধাক্কা খেল।”

জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত করার দাবি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিরোধীদলীয় নেতা।

তার দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বিচার প্রক্রিয়ায় যতটুকু দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছিল, বর্তমান সরকারের ছয় মাসে তা দেখা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, শহীদ পরিবারের সদস্যরা এখনও তাদের কাছে বিচার পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন করেন।

শফিকুর রহমান বলেন, “সন্তান তো চলে গেল, পিতা তো চলে গেল, বাবা তো চলে গেল, ভাই তো চলে গেল, বিচারটা কি আমরা পাব? আমাদের কাছে তার কোনো সদুত্তর নাই।”

স্বাভাবিক আদালত বা ট্রাইব্যুনাল, যেখানে যেটি প্রযোজ্য, সেখানে বিচার দ্রুত করার আহ্বান জানান তিনি।

ভারতের সঙ্গে ‘সমানে সমান’ সম্পর্ক চান

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেন জামায়াতের আমির।

মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান অস্বীকার করা যায় না তুলে ধরে তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক হতে হবে পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে।

সীমান্ত হত্যা, তিস্তা ও গঙ্গার পানি বণ্টনের বিষয়গুলো সামনে আনেন তিনি।

শফিকুর বলেন, “এখানে আলোচনা হবে, লড়াই হবে সমানে সমান। আমরা কারো অধীনতা মেনে নেব না। বাংলাদেশ আর কারো অধীনতার পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করবে না।”

শিল্পে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে উদ্বেগ

শিল্প খাতে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিয়েও উদ্বেগ জানান বিরোধীদলীয় নেতা।

তিনি বলেন, উৎপাদন কমতে থাকলে শিল্প মালিকদের পক্ষে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ, শ্রমিক ধরে রাখা এবং বিদেশি ক্রেতা ধরে রাখা কঠিন হবে।

শফিকুর রহমান বলেন, “একবার যদি বায়ার আমাদের থেকে ফিরিয়ে অন্যদিকে চলে যায়, আবার সেই বায়ার তখন আসে না।”

শিল্পকে অগ্রাধিকার দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, কৃষকের ন্যায্যমূল্য এবং ‘সিন্ডিকেট’ ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন।

মাদক ও অবৈধ অস্ত্র ‘নির্মূলের’ দাবি

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন শফিকুর।

তিনি বলেন, “এটাকে নিয়ন্ত্রণ নয়, নির্মূল বলব। নির্মূল করার জন্য উদ্যোগটা যেন দৃশ্যমান হয়।”

তার মতে, মাদক শুধু ব্যক্তি বা পরিবারের সমস্যা নয়, জাতীয় সমস্যা।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘অস্ত্রের ঝনঝনানি’ নয়

শিক্ষাব্যবস্থা নিয়েও সমালোচনা করেন বিরোধীদলীয় নেতা।

তার অভিযোগ, অতীতে একদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দখল হয়েছে, অন্যদিকে শিক্ষার মানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, “আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দখল হবে না। অস্ত্রের ঝনঝনানি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভেতরে হবে না। আমাদের সন্তানদেরকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভেতরে কলমের বদলে অস্ত্র হাতে নিতে হবে না।”

নৈতিকতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে কারিকুলাম ও সিলেবাস সাজানোর আহ্বান জানান তিনি।

‘গোলাম আযমের ভূমিকা’

সমাপনী বক্তব্যের শুরুতে ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান আমল, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের পরবর্তী রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে দীর্ঘ বক্তব্য দেন শফিকুর রহমান।

ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের ভূমিকার কথাও তোলেন তিনি।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, রাষ্ট্রভাষার প্রশ্নে আন্দোলন ১৯৪৮ সাল থেকেই শুরু হয়েছিল এবং ১৯৫২ সালে তা চূড়ান্ত রূপ নেয়।

তিনি বলেন, “লিয়াকত আলী খান যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন, তখন সেই ভাষা স্মারকটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন জিএস গোলাম আযম পাঠ করেছিলেন। ভাষা আন্দোলনের জন্য তাকে জেলেও যেতে হয়েছিল।”

ভাষা আন্দোলনের শহীদ এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়া অন্যদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান তিনি।

যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে সমালোচনা

জামায়াত নেতাদের যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়েও সমালোচনা করেন শফিকুর রহমান।

তার দাবি, সেই বিচার প্রক্রিয়ায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পক্ষ আপত্তি জানিয়েছিল।

শাহবাগ আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াতের আমির বলেন, “শাহবাগে একটি আসর বসানো হয়েছিল, ৪২ দিন যাবৎ এটা দীর্ঘস্থায়ী হয়েছিল। সেই শাহবাগের তৎকালীন নেতাদের কথায় বাংলাদেশের প্রশাসন কী অবস্থায় ছিল, আমরা জানি।”

তার অভিযোগ, “শাহবাগের দাবিতে রেট্রোস্পেকটিভ ইফেক্ট দিয়ে একটা আইন পর্যন্ত সংশোধন করে মানুষকে খুন করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, এর মধ্যে শুধু জামায়াতে ইসলামীর নেতারাই নন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীও ছিলেন।

রক্ষীবাহিনী, পিলখানা ও র‍্যাব

স্বাধীনতার পর বাকশাল, রক্ষীবাহিনী, দুর্ভিক্ষ এবং পরবর্তী রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়েও কথা বলেন বিরোধীদলীয় নেতা।

রক্ষীবাহিনীর বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ করেন তিনি।

২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শফিকুর রহমান।

তার দাবি, হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের ‘পরিকল্পনাকারী ও হুকুমদাতা’ কারা ছিলেন, তা এখনও পুরোপুরি জাতির সামনে আসেনি।

র‍্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সম্পত্তি হস্তান্তর বিল

সম্প্রতি সংসদে পাস হওয়া সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়েও আপত্তি জানান শফিকুর রহমান।

আইনটি কোরআন ও সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে দাবি করেন তিনি বলেন, “আমি অনুরোধ করব মাননীয় রাষ্ট্রপতি যেন এটাতে সিগনেচার না করেন।”

বিষয়টি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কাছে পাঠিয়ে আলেম ও স্কলারদের মতামত নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

টিআইএস


Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement