মাত্র ২১ বছর বয়সে বলিউডে নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন প্রযোজক অনুপ্রিয়া নাগর। তাঁর প্রযোজিত ড. বিশাল চতুর্বেদী পরিচালিত ভক্তিমূলক সিনেমা ‘হনুমান অংশ’ ছোট পরিসরে মুক্তি পেয়েও বক্স অফিসে বড় সাফল্য পেয়েছে।
মাত্র ৩০০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর অষ্টম দিনে সিনেমাটির প্রদর্শন নেমে এসেছিল মাত্র ৩০টিতে। তবে দর্শকদের ব্যাপক সাড়ায় দ্রুত বদলে যায় পরিস্থিতি। বর্তমানে ভারতের ১ হাজার ৫০০টিরও বেশি প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হচ্ছে সিনেমাটি। দেশীয় সাফল্যের পর এবার আন্তর্জাতিকভাবেও মুক্তি পাচ্ছে ‘হনুমান অংশ’।
ছবিটির সাফল্যের নেপথ্যে সবচেয়ে বড় চমক ২১ বছর বয়সী অনুপ্রিয়া নাগ। চলচ্চিত্র নির্মাণে কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও যুক্তরাজ্যে পার্টটাইম কাজ করে জমানো নিজের পুরো সঞ্চয় এই সিনেমায় বিনিয়োগ করেন তিনি। নিম করোলি বাবার জীবন ও আধ্যাত্মিক ভাবনাকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি।
‘হিন্দুস্তান টাইমস’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অনুপ্রিয়া জানান, দর্শকদের হতাশ করতে চান না তাঁরা। তাই ‘হনুমান অংশ’-এর সিক্যুয়েল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সিক্যুয়েলেও প্রথম সিনেমার সরলতা ধরে রাখার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, শুরুতে মাত্র ২ কোটি রুপি বাজেটে সিনেমাটি নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। বড় বাজেটে তৈরি করা হলে ছবিটির স্বাভাবিক ও সরল আবহ হয়তো ধরে রাখা সম্ভব হতো না।
চলচ্চিত্র নির্মাণে কোনো অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও কেন এত বড় ঝুঁকি নিয়েছিলেন—এমন প্রশ্নের জবাবে অনুপ্রিয়া বলেন, তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল নিম করোলি বাবার গল্প তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে জেন-জেড দর্শকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
সিনেমাটির সাফল্যের পর অনুপ্রিয়ার সিদ্ধান্ত এখন নতুন করে আলোচনায়। ‘সাকনিল্ক’-এর তথ্য অনুযায়ী, মুক্তির ৩১তম দিনে ‘হনুমান অংশ’ ভারতের বক্স অফিসে ১২২ কোটি রুপির বেশি আয় করেছে।
ড. বিশাল চতুর্বেদীর এই সিনেমাটি তাঁর লেখা বই ‘ডিভাইন ডিট্যুর: দ্যাট চেঞ্জড মাই লাইফ’-এর ওপর ভিত্তি করে নির্মিত। সিনেমাটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন শোভিনাও সত্যা ও চন্দন আনন্দ।
এফএস