আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনার সময় হাতে হাতকড়া, মাথায় হেলমেট ও গায়ে ভেস্ট পরানো থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান।
বুধবার ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘মনে হয় আমি সবার টার্গেট। আমি সুবিচার চাই।’
জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দশম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন আব্বাস মল্লিক। জবানবন্দিতে নিজের ভাই আলকাছ মল্লিককে হত্যার জন্য জিয়াউলকে দায়ী করে তার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন তিনি। পরে জিয়াউলের আইনজীবীরা সাক্ষীকে জেরা করেন।
জেরা শেষে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৮ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে জিয়াউল জানান, সেনাবাহিনীতে প্রশিক্ষণের সময় কোমর ও ঘাড়ে ব্যথা পেয়েছিলেন। কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে আনার সময় হাতকড়া, হেলমেট ও ভেস্ট পরানোয় তিনি এ ব্যবস্থা থেকে অব্যাহতি চান।
এ বিষয়ে প্রসিকিউশনের মতামত জানতে চাইলে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জেল কর্তৃপক্ষের এখতিয়ার। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণেই তাকে এভাবে আনা হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।
জিয়াউল বলেন, প্রিজনভ্যান থেকে ট্রাইব্যুনালের হাজতখানার দূরত্ব খুবই কম এবং তাকে নামানোর সময় প্রায় ২০ জন পুলিশ সদস্য উপস্থিত থাকেন। জবাবে ট্রাইব্যুনাল বলেন, দূরত্ব কম হলেও নিরাপত্তার ঝুঁকি থাকতে পারে।
পরে হাতকড়া ও ভেস্ট থেকে অব্যাহতির জন্য জিয়াউলকে আবেদন করার পরামর্শ দেন বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। জিয়াউলের আইনজীবী নাজনীন নাহার জানান, তারা এ বিষয়ে আবেদন করবেন।
এফএস