দিনাজপুর ও কুড়িগ্রামে র্যাব-১৩ এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পৃথক যৌথ মোবাইল কোর্ট অভিযানে চারটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনুমোদনহীন কারখানায় উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ খাদ্যপণ্য জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) র্যাব-১৩-এর পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, বাজার মনিটরিং, অবৈধ মজুতদারি প্রতিরোধ এবং ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে র্যাব।
এর ধারাবাহিকতায় সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দিনাজপুর সদর পৌরসভা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। র্যাব-১৩ সিপিসি-১ দিনাজপুর ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, দিনাজপুরের যৌথ অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৩ ধারায় অবৈধ প্রক্রিয়ায় পণ্য উৎপাদনের দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়।
এর মধ্যে হৃদয় এগ্রো ইন্ডাস্ট্রির মালিক মো. ইমরান খানকে ১০ হাজার টাকা, ফুড কেয়ারের মালিক মো. কবিরকে ৩০ হাজার টাকা এবং বিএ ফুড অ্যান্ড বেকারির স্বত্বাধিকারী আনন্দকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অন্যদিকে, একই দিন সকাল সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত কুড়িগ্রাম জেলায় অভিযান চালায় র্যাব-১৩ সিপিএসসি রংপুর ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ দল। এ সময় ঔষধ ও খাদ্যপণ্যের মান, মেয়াদ এবং বাজার পরিস্থিতি যাচাইয়ের পাশাপাশি অবৈধ মজুতদারি প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে একটি প্রতিষ্ঠানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া সরকারি অনুমোদন ছাড়া উৎপাদিত খাদ্যপণ্যে ব্যাচ নম্বর, ট্রেডমার্ক, উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ না থাকায় বিপুল পরিমাণ খাদ্যসামগ্রী জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।
র্যাব-১৩ জানিয়েছে, অবৈধ মজুতদারি, অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি ও খাদ্যে ভেজালসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
-টিএস