ইন্দোনেশিয়ার উত্তর উপকূলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে দেশটির উত্তর উপকূলীয় এলাকায় ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, মূল ভূমিকম্পের পর ৫ দশমিক ৯, ৫ দশমিক ৬ ও ৬ দশমিক ১ মাত্রার তিনটি আফটারশক অনুভূত হয়েছে। শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের পর এশিয়ার দেশটিতে আগাম সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কম্পনের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে ইউএসজিএসের প্রাথমিক মূল্যায়নে শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে ইন্দোনেশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকালের ভূমিকম্পের সময় প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ খুব শক্তিশালী থেকে তীব্র কম্পনের মুখোমুখি হয়েছেন। এ ধরনের কম্পন ভালোভাবে নির্মিত স্থাপনায় সামান্য থেকে মাঝারি এবং দুর্বলভাবে নির্মিত স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করতে পারে।
ইন্দোনেশিয়া অতীতেও বেশ কয়েকটি ভয়াবহ ভূমিকম্পের মুখোমুখি হয়েছে। দেশটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থিত। এই অঞ্চলে প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে।
‘রিং অব ফায়ার’ বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা। এটি প্রশান্ত মহাসাগরের চারপাশে বিস্তৃত হয়ে জাপান ও ইন্দোনেশিয়া থেকে শুরু করে প্রশান্ত মহাসাগরের অপর প্রান্তের ক্যালিফোর্নিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকা পর্যন্ত বিস্তৃত।