ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
৯ প্যাকেটে খণ্ডিত লাশ: গ্রেপ্তার লাইলী আক্তার
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৫৮ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

কুমিল্লার দেবীদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুরে ফরিদা ইয়াসমিন (৫০) নামের এক নারীকে হত্যার পর তাঁর লাশ টুকরা টুকরা করে পলিথিনে মুড়িয়ে ৯টি প্যাকেটে রাখার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় বাড়ির পেছন থেকে প্যাকেটগুলো উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় লাইলী আক্তার নামের এক ভাড়াটিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

লাইলী আক্তার আগেও শিশুহত্যা মামলার আসামি ছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৭ নভেম্বর দেবীদ্বার এলাকায় সাত বছর বয়সী ফাহিমা নামের এক শিশুহত্যার ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়।

শিশু হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর লাইলী দীর্ঘ সময় কারাগারে ছিলেন। সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি আবার দেবীদ্বার পৌর এলাকার চাপানগরে বসবাস শুরু করেন। ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে লাইলীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। মামলার এজাহার ও তদন্ত-সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, শিশুটি তাঁর বাবা আমির হোসেনের সঙ্গে লাইলী আক্তারের অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি দেখে ফেলেছিল। পরে শিশুটিকে হত্যা করে বস্তাবন্দী করে কাচিসাইর পুলের নিচে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পর ১৪ নভেম্বর বস্তাবন্দী অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ওই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর লাইলী দীর্ঘ সময় কারাগারে ছিলেন। সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি আবার দেবীদ্বার পৌর এলাকার চাপানগরে বসবাস শুরু করেন। এরপর ১ আগস্ট ফরিদা ইয়াসমিনের বাড়ির টিনের ঘর ভাড়া নেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লাইলী আক্তার হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে তিনি আরও চারজনের নাম বলেছেন। ফরিদা ইয়াসমিন হত্যাকাণ্ডের তাঁর স্বামী মফিজুল ইসলাম গতকাল রাতে বাদী হয়ে দেবীদ্বার থানায় হত্যা মামলা করেছেন। এতে আসামি হিসেবে লাইলী আক্তারসহ চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

পুলিশ বলছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লাইলী আক্তার হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে তিনি আরও চারজনের নাম বলেছেন। তবে তাদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি পুলিশ এখনো তদন্ত করে দেখছে। প্রাথমিকভাবে স্বর্ণালংকারসহ মালামাল লুটের উদ্দেশ্যে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

নিহত ফরিদা ইয়াসমিনের স্বামী মফিজুল ইসলাম জাহাজে চাকরি করেন। দুই মেয়ে রাবেয়া বসরী ও মরিয়ম আক্তারের বিয়ে হয়ে গেছে। ফলে ফরিদা ইয়াসমিন বাড়িতে একাই থাকতেন।

দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, পলিথিনে মোড়ানো ফরিদা ইয়াসমিনের খণ্ডিত মরদেহের ৯টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে মাথা ও পায়ের অংশ এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

টিআইএস

Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement