টাঙ্গাইল শহরের অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র ডিসি লেককে পরিচ্ছন্ন করে আধুনিক মিনি পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপি।
তিনি বলেন, ডিসি লেক শুধু একটি বিনোদনকেন্দ্র নয়, এটি টাঙ্গাইল শহরের সৌন্দর্য ও পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই এর পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্য রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
শুক্রবার ডিসি লেকের পরিবেশ পুনরুদ্ধারে কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, পর্যায়ক্রমে পুরো ডিসি লেক পরিষ্কার করা হবে। একই সঙ্গে ডিসি লেককে একটি মিনি পর্যটনকেন্দ্র এবং সংলগ্ন চর এলাকাকে বৃহৎ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যানকে সঙ্গে নিয়ে তিনি এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় চেয়ারম্যান চর এলাকার পাশাপাশি ডিসি লেকের সম্ভাবনাও সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, নির্বাচনের আগে তিনি টাঙ্গাইলে একটি আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। ডিসি লেককে দৃষ্টিনন্দন ও ব্যবহারোপযোগী করে তোলা গেলে টাঙ্গাইলবাসী একটি আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র পাবে। পাশাপাশি লেকে মাছ চাষের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যার সুফল স্থানীয় জনগণ ভোগ করবেন।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী ডিসি লেকের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। পরে তিনি নিজেও পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নিয়ে কচুরিপানা অপসারণ করেন এবং সংশ্লিষ্টদের নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেন।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য এবং সাধারণ মানুষ অংশ নেন। তাদের সম্মিলিত উদ্যোগে লেকের বিভিন্ন স্থান থেকে কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণের কাজ শুরু হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক শরীফা হক, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য আব্দুল্লাহিল কাফি এবং বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
জেবি/আরএন