ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
ইমামদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বুরকিনা ফাসোর প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম তাওরের
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৯:১৪ এএম
সংগৃহীত ছবি
X

সংগৃহীত ছবি

ইসলামিক ব্যক্তিত্ব ও ইমামদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন বুরকিনা ফাসোর প্রেসিডেন্ট ও সামরিক শাসক ইব্রাহিম তাওরে। তিনি বলেছেন ‘উগ্রবাদী ইসলামের’ বিরুদ্ধে তাদের যুদ্ধ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

এরআগে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ইমামকে আটক ও বিতর্কিত ধর্মীয় আইন পাস করান তিনি।

মুসলিম ব্যক্তিত্বদের উদ্দেশে ইব্রাহিম তাওরে বলেছেন, যারা উগ্রবাদ প্রচার করবেন তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেছেন, “যদি এটি আপনাদের ইসলাম হয়ে থাকে আমরা এর বিরুদ্ধে লড়ব। উগ্রবাদীদের অবশ্যই পরিবর্তন হতে হবে। যদি তারা পরিবর্তন না হয় তাহলে যুদ্ধ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।”

এছাড়া বিতর্কিত ধর্মীয় আইনের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন তাওরে। তিনি বলেছেন, এই আইনের মাধ্যমে বুরকিনা ফাসোর ধর্মনিরপেক্ষতার চরিত্রটি ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ইমামদের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, যারা খুতবায় উগ্রবাদ ছড়াবেন তাদের বহিষ্কার করা হবে।

তবে যেসব ইমাম ইসলামের শান্তির বার্তা ছড়াবেন তাদের পক্ষে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। ইব্রাহিম তাওরে অভিযোগ করেছেন, বিদেশি শক্তিরা ধর্মের মাধ্যমে বুরকিনা ফাসোকে অস্থিতিশীল করে তুলছে।

বুরকিনা ফাসোর সামরিক জান্তা ও মুসলিম কমিউনিটির মধ্যে গত কয়েকদিন ধরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এরমধ্যেই তাওরের কাছ থেকে এমন হুঁশিয়ারি এলো।

গত মে মাসে মোহাম্মদ ইশহাক কিন্দো নামে এক প্রসিদ্ধ সুন্নি ইমামকে আটক করে দেশটির নিরাপত্তাবাহিনী। তিনি ধর্মীয় আইনের খসড়ার তীব্র সমালোচনা করেছিলেন।

আটকের পর থেকেই তার মুক্তির দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন মুসল্লিরা। এর জেরে রাজধানী ওগাদোগুর সবচেয়ে বড় সুন্নি মসজিদটি নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বন্ধ করে দেন ইব্রাহিম তাওরে। ইশহাক কিন্দো বর্তমানে কোথায় আছেন তাও কেউ জানেন না।

বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, মোহাম্মদ ইশহাক কিন্দোর প্রায় ১০০ সমর্থককে আটক করে সেনাবাহিনীর বন্দিশালায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের ‘নাগরিক প্রশিক্ষণ’ দেওয়া হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরআগে প্রায় একই কারণে এপ্রিলের মাঝামাঝিতে মাহমুদ বারো নামে আরেক ইমামকে আটক করা হয়।

গত ২০ জুন বুরকিনা ফাসোর অন্তর্বর্তীকালীন পার্লামেন্টে সর্বসম্মতিক্রমে ধর্মীয় আইন পাস করা হয়। এতে শিশুদের দিয়ে ভিক্ষা করানোসহ ধর্মের অপব্যবহারের জন্য অর্থ ও কারাদণ্ডের বিধান করা হয়। এছাড়া ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যদি আর্থিক স্বচ্ছতা না দেখাতে পারে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে এতে।

দেশটির বর্তমান সরকারের দাবি ধর্মনিরপেক্ষতা অক্ষুন্ন রাখতে এ আইন করা হয়েছে। তবে সমালোচকরা বলছেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে আইনটি বানানো হয়েছে।

সূত্র: দ্য নিউ আরব



Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝