ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
সাগরে আবার লঘুচাপের সম্ভবনা, মাছ ধরতে নেমেছেন অনেক জেলে
✎ অবজারভার সংবাদদাতা
⏲ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৬:০৮ পিএম
X

বঙ্গোপসাগরে আবারও লঘুচাপের সম্ভাবনা রয়েছে। এর প্রভাবে উপকূলে ঝড় হতে পারে। বুধবার রাত থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। দুপুর থেকে মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী উত্তাল হয়ে উঠেছে। এমন বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে চরফ্যাশন উপজেলার অনেক দরিদ্র জেলে নদীতে মাছ ধরতে নেমেছেন।

চরফ্যাশন উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু বলেন, গত ৭/৮ দিন ধরে জেলেদের নদী ও সাগরে নামতে নিষেধ করা হয়েছে। তবুও অনেক জেলে পেটের দায়ে নদীতে নামছেন।

বুধবার দুপুরে চরফ্যাশন উপজেলার কয়েকটি মাছঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও বাতাসের কারণে ঘাটগুলোতে তেমন লোকসমাগম নেই। সকাল থেকে একটানা বৃষ্টি ও বাতাসের গতিবেগ বেড়েছে। অল্পসংখ্যক দরিদ্র জেলে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে নেমেছেন। তারা যে পরিমাণ মাছ পাচ্ছেন, তা দিয়ে স্থানীয় চাহিদা মিটছে। তবে চরফ্যাশনের বাইরে মাছ পাঠানো যাচ্ছে না।

চরফ্যাশন উপজেলার চরমাদ্রাজ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সামরাজ মাছঘাট এলাকার জেলে বসিরউল্লাহ (৪৫) বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দুই ছেলেকে নিয়ে একটি দাঁড়টানা নৌকায় মাছ ধরতে নদীতে নামেন। বেলা ১টার দিকে ঘাটে ফিরে তিনি ধরা মাছ তিন হাজার টাকায় বিক্রি করেন।

বসিরউল্লাহ বলেন, “অভাবের সংসার। ৭/৮ দিন বেকার ছিলাম। ঝড়ের কারণে নদীতে মাছ ধরতে মানা আছে জানি, এরপরও পেটের দায়ে ভাগীদারদের অনুপস্থিতিতে ছেলেদের নিয়ে নদীতে নেমেছি। তবে বেশি দূর যাইনি। যা মাছ পেয়েছি, তা তিন হাজার টাকায় বিক্রি করতে পেরেছি। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।”

বসিরউল্লাহর মতো সামরাজ মাছঘাট এলাকার বেল্লাল মাঝি ১ হাজার ৪০০ টাকা, রহমান মাঝি ৫ হাজার টাকা, মাকসুদ ২ হাজার ৫০ টাকা, তেঁতুলিয়া নদীপাড়ের নজির মিয়ার এলাকার জেলে হোসেন ১ হাজার ১০০ টাকা এবং মঞ্জু মাঝি ১ হাজার ৬০০ টাকার মাছ বিক্রি করেছেন।

এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে শত শত জেলেকে নদীতে চিংড়ির রেণু ধরতে দেখা গেছে। সামরাজের বেড়িভাঙা এলাকার হারুন মাঝি (৬৫) বলেন, একেকজন রেণুশিকারি প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ হাজার টাকার রেণু বিক্রি করেন। এ কারণে বৈরী আবহাওয়া থাকা সত্ত্বেও স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে তারা নদীতে রেণু ধরতে নেমেছেন।

চরফ্যাশন উপজেলার বেতুয়া মাছঘাটের আড়তদার মামুন মাঝি বলেন, আজ প্রায় ২০ শতাংশ হতদরিদ্র জেলে নদীতে নেমেছেন। মাছ ধরতে না পারলে তাদের না খেয়ে থাকতে হতো।

মাছের সরবরাহ কম থাকায় বাজারে দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছেন মাইনুদ্দিন মাছঘাটের আড়তদার জানে আলম। তিনি বলেন, “দাম বেশি হওয়ায় আজ সবাই মাছ কিনতে পারছেন না। ২০০ থেকে ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।”

এসএফ/এসআর


Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝