পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের (জুয়েল গ্রুপ) কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করার ঘটনায় তোলপাড় চলছে। শনিবার রাতে কে বা কারা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে পতাকা উত্তোলন করেন। এরপরই পতাকার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
রাত ১১টার দিকে পৌর শহরের কুন্ড পট্টি সড়কে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উড়ছে। এ সময় আওয়ামী লীগ কার্যালয় তালাবদ্ধ ছিল।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে বাউফল থানা থেকে কয়েক গজ দূরে একটি আওয়ামী লীগ কার্যালয় খুলে দলীয় কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাউফল পৌরসভার সাবেক মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল। ২০২৪ সালের ০৫ অগাস্ট উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় জনতা ভবনে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতা। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ একাধিক হত্যা মামলায় বর্তমানে কারাবন্দী আছেন।
অপরদিকে, বাউফল পৌরসভার সাবেক মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল পলাতক আছেন। বাউফল থানার পাশে অবস্থিত জিয়াউল হক জুয়েল গ্রুপের আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে কিভাবে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে তা নিয়ে নানা আলোচনা সমালোচনা চলছে।
এলাকাবাসী জানান, ব্যস্ততম সড়কে থানার পাশেই নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হঠাৎ পতাকা উড়ানোর ঘটনায় অবাক হয়েছি। পুলিশের চোখ এড়িয়ে যারা এই পতাকা উড়িয়েছে তাদেরকে দ্রুত শাস্তির আওতায় আনার দাবি করছি।
এ প্রসঙ্গে বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'ঘটনার তদন্ত চলছে যারা নিষিদ্ধ সংগঠনের তালাবদ্ধ কার্যালয়ে পতাকা উড়িয়েছেন তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনা হবে।'
এএস/এমএ