নিহতরা হলেন অংক্যমং তঞ্চঙ্গ্যা (৪০), চিংক্ষ্যং তঞ্চঙ্গ্যা (৩২) ও চপোচিং তঞ্চঙ্গ্যা ওরফে লেরাইয়া (৩৫)। তারা সবাই উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভালুকিয়াপাড়ার বাসিন্দা।
রোববার দুপুর ১টার দিকে ঘুমধুম ইউনিয়নের বাইশফাঁড়ি মিয়ানমার সীমান্তের জিরো পয়েন্টের ৪২ নম্বর পিলারসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তুমব্রু নোম্যান্সল্যান্ড এলাকার ৪২ নম্বর সীমান্ত পিলারসংলগ্ন কলাবাগানে কাজ করতে যান ওই তিনজন। এ সময় সীমান্ত এলাকায় পুঁতে রাখা স্থলমাইন বিস্ফোরিত হলে অংক্যমং তঞ্চঙ্গ্যা ঘটনাস্থলেই নিহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করতে গেলে আরও দুটি মাইনের বিস্ফোরণে চিংক্ষ্যং তঞ্চঙ্গ্যা ও চপোচিং তঞ্চঙ্গ্যাও নিহত হন।
ঘুমধুম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বাবুল চাকমা বলেন, সকালে তারা মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় কলাবাগানে কাজ করতে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে মাইন বিস্ফোরণে একজন নিহত হলে তাকে উদ্ধারে গিয়ে আরও দুজন প্রাণ হারান। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ঘুমধুমের গ্রাম পুলিশ রূপম বড়ুয়া জানান, ঘটনাটি ৪১ নম্বর সীমান্ত পিলার এলাকার শূন্যরেখার ভেতরে ঘটেছে। নিহতরা সবাই বাগানচাষি ছিলেন।
ঘুমধুম পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক জাফর ইকবাল তিনজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহগুলো উদ্ধার করে রেজুপাড়া বিজিবি সীমান্তচৌকিতে নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে সেগুলো থানায় হস্তান্তর করা হবে।
এসডি/ এসআর