পটুয়াখালীর বাউফলে সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় মো. অলিউল্লাহ (৪৪) নামের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া এক উপ-খাদ্য পরিদর্শককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) পটুয়াখালীর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে তিনি জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে ম্যাজিস্ট্রেট নওরিন করিম তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাবন্দি অলিউল্লাহ উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের মৃত হারুন অর রশিদের ছেলে এবং মির্জাগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের উপ-খাদ্য পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত মাসে চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এছাড়া তার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগে আরেকটি মামলা চলমান রয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, আবু সাঈদ ইছা ওরফে শারীফ তালুকদার নামের এক ব্যক্তি ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা, মানহানিকর ও আপত্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগে গত ১০ মে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন ভুক্তভোগী। পরে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নিয়ে বাউফল থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেয়। তদন্ত শেষে ১৪ মে বাউফল থানায় অলিউল্লাহর বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা রুজু করা হয়।
ভুক্তভোগী আবু সাঈদ ইছা অভিযোগ করে বলেন, অলিউল্লাহ একাধিক ভুয়া ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে তার পরিবার ও স্থানীয়দের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অপপ্রচার চালিয়ে আসছিলেন। সতর্ক করা হলেও তিনি তা বন্ধ করেননি।
অভিযুক্ত অলিউল্লাহর পক্ষে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার পরিবারের দাবি, তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রক জাকির হোসেন বলেন, অলিউল্লাহর সাময়িক বরখাস্তাদেশ বহাল রয়েছে এবং তার বেতন-ভাতা বন্ধ আছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এ আদেশ কার্যকর থাকবে।
এএস/এসআর