খুলনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মে মাসের সভা রোববার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে তার সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাস্তার ওপর কোনো কোরবানির পশুর হাট বসানো যাবে না। হাটে আসা যানবাহনের কারণে যেন যানজট বা জটলার সৃষ্টি না হয়, সেদিকে নজর রাখতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি স্বাস্থ্য বিভাগকে পর্যাপ্ত জলাতঙ্ক ও হামের টিকা মজুদ রাখারও নির্দেশ দেন।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, নদী ও খাল পুনঃখননকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করতে হবে। খাল খননের অগ্রগতি প্রতিবেদনে কোনো ধরনের গাফিলতি বা চাতুর্যের আশ্রয় নেওয়া যাবে না।
সভায় ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. মিজানুর রহমান জানান, শিশুদের হামের টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা ইতোমধ্যে পূরণ হয়েছে এবং টিকাদান কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শরিফুল ইসলাম জানান, ঈদুল আজহা উপলক্ষে খুলনা জেলায় কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর সংখ্যা এক লাখ ৬৩ হাজার ২২৯টি। এর মধ্যে চাহিদা রয়েছে এক লাখ ৫৪ হাজার ৪৫৬টি পশুর। ফলে জেলায় উদ্বৃত্ত থাকবে ৮ হাজার ৭৭৩টি পশু।
তিনি আরও জানান, এবার খুলনা জেলায় স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে মোট ২৫টি পশুর হাট বসবে। এসব হাটে সেবা দিতে ৩১টি ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রয়েছে।
সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক জানান, মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের সম্মানি প্রদানের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মণ্ডলসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এসএমএস/এসআর