নোয়াখালীর জেলা কারাগারে থাকা এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে রাতে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় স্বজনরা চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুললেও কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অসুস্থ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল।
মৃত হাজতির নাম মো. হুমায়ুন কবির ওরফে মাঈনউদ্দিন (৩৫)। তিনি নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নের বগাদিয়া গ্রামের মৃত সোলেমান মিয়ার ছেলে। চুরির একটি মামলায় তিনি নোয়াখালী জেলা কারাগারে হাজতি হিসেবে আটক ছিলেন।
জানা যায়, গত ১৯ এপ্রিল চুরির একটি মামলায় চাটখিল থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে নোয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে নেওয়ার পর তার শরীরে কিছু আঘাতের চিহ্ন দেখা যায় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
কারাগার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজের আগে হুমায়ুন কবির হঠাৎ বুকে ব্যথা ও শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করেন। পরে কারা মেডিকেলে তার প্রাথমিক পরীক্ষা ও ইসিজি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৪টার দিকে তিনি মারা যান।
নোয়াখালী জেলা কারাগারের জেল সুপার আবদুল বারেক বলেন, ওই হাজতি বাইরে থাকাকালে পাবলিক অ্যাসল্টের শিকার হন। কারাগারে অসুস্থ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে কারা মেডিকেলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়। ইসিজি রিপোর্টে তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর দেখা গেলে দ্রুত তাকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এমআর/আরএন