নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, বিএসএফের ছররা গুলিতেই তার মৃত্যু হয়েছে। তবে ঘটনার বিষয়ে ভিন্ন বক্তব্যও পাওয়া গেছে।
নিহতের প্রতিবেশী লিটন বলেন, 'খাদেমুল খুবই শান্ত স্বভাবের ছেলে ছিল। তবে সীমান্ত এলাকায় সম্প্রতি উত্তেজনা বেড়েছে।
নিহতের মা লাইলী বেগম দাবি করেন, তার ছেলে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে সীমান্ত এলাকায় গেলে বিএসএফ গুলি করে হত্যা করেছে।
জানা গেছে, নিহতের মরদেহ তার বাড়িতে আনা হয়েছে। এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতের শরীরের আঘাতের ধরণ পর্যালোচনা করে একাধিক সম্ভাবনা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ আরও স্পষ্ট হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মেহেদী ইমাম বলেন, 'বিষয়টি নিয়ে কোম্পানি কমান্ডার ও ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে।'