Monday | 1 June 2026 | Reg No- 06
Epaper | English
   
English | Monday | 1 June 2026 | Epaper
BREAKING: সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে মার্কেট-শপিংমল বন্ধের নির্দেশ      প্রবীণ আ.লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন      পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ      ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে গ্রাহক-পুলিশ সংঘর্ষ      ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের      মরণোত্তর জাতিসংঘ পদক পাচ্ছেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী      বাজেটের আগে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি এক ধরনের ধোঁকাবাজি: জামায়াত আমির      

পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি, বন্যা আতঙ্ক

প্রকাশ: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৯:৩৩ পিএম   (ভিজিট : ৫৬)

শেরপুরের চারটি পাহাড়ি নদীতে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বুধবার (১৩ মে) ভোররাত থেকে বেলা পর্যন্ত দফায় দফায় ভারি বর্ষণে জেলার বিভিন্ন নদ-নদীতে তীব্র স্রোত সৃষ্টি হয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী এলাকায় আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, নালিতাবাড়ীর চেল্লাখালী নদীর বাতকুচি পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ১৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া ঝিনাইগাতির মহারশি ও সোমেশ্বরী নদীর পানিও বিপদসীমা ছুঁইছুঁই অবস্থায় রয়েছে।

অন্যদিকে, ভোগাই নদীর পানি নাকুগাঁও পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৫৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ৪১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শেরপুরে ব্রহ্মপুত্র নদের পানিও বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিকেলে চেল্লাখালী নদীর গোল্লারপাড় এলাকায় একটি বাঁধের অংশ পানির তোড়ে ভেঙে যায়। এতে ঢলের পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে এবং বেশ কয়েকটি বোরো ধানের খেত তলিয়ে যায়।

পাউবো সূত্রে জানা গেছে, গত রাত থেকে শেরপুরে ১১ মিলিমিটার, নালিতাবাড়ীতে ৯০ মিলিমিটার এবং নাকুগাঁওয়ে ১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা ভাঙন ও আকস্মিক বন্যা আতঙ্কে রয়েছেন।

জেলা কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে অসময়ের টানা বৃষ্টিতে জেলার নিম্নাঞ্চলের প্রায় ২৪৫ হেক্টর বোরো জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। মঙ্গলবার রাত থেকে নতুন করে ভারি বর্ষণ শুরু হওয়ায় ফসলের আরও ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

নালিতাবাড়ীর দক্ষিণ রানীগাঁও গ্রামের কৃষক শামছুদ্দিন জানান, তার তিন একর বোরো জমি পানিতে তলিয়ে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি বলেন, “এক মুঠো ধানও ঘরে তুলতে পারিনি।”

শেরপুর কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “প্রথম দফার বৃষ্টিতে তলিয়ে যাওয়া অনেক জমির পানি নেমে যাওয়ায় বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। ইতোমধ্যে প্রায় ৬৭ শতাংশ বোরো ধান কাটা শেষ হয়েছে। তবে নতুন করে ভারি বর্ষণ হলে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।”

এমএস/এসআর




LATEST NEWS
MOST READ
আরও পড়ুন
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000.
Phone: PABX- 41053001-06; Online: 41053014; Advertisement: 41053012.
E-mail: district@dailyobserverbd.com, news©dailyobserverbd.com, advertisement©dailyobserverbd.com, For Online Edition: mailobserverbd©gmail.com
🔝
close