পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সিঙ্গারটেক এলাকায় বুধবার (১৩ মে) সকালে বনদস্যু করিম-শরীফ বাহিনীর সঙ্গে বনরক্ষীদের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে।
এ সময় জিম্মি থাকা চার জেলেকে উদ্ধার করেন বনরক্ষীরা। ঘটনাস্থল থেকে একটি একনলা বন্দুক, একটি কার্তুজ ও দুটি ওয়াকিটকি জব্দ করা হয়েছে।
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জিম্মিদশা থেকে উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন— শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রামের আবদুল বারেক খানের ছেলে মাসুম খান, খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার বুজনুনিয়া গ্রামের আফসার আলীর ছেলে নাছিম আলী, দাকোপ উপজেলার পানখালী গ্রামের আবু তালেব শেখের ছেলে ইরাক শেখ এবং শরণখোলা উপজেলার দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. হাসান।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শেলারচর টহল ফাঁড়ির সিঙ্গারটেক এলাকায় শেলারচর টহল ফাঁড়ি ও স্মার্ট টিমের যৌথ টহল চলাকালে বনকর্মীরা বনদস্যুদের উপস্থিতি টের পান। পরে সেখানে অভিযান চালানো হলে দস্যুরা বনরক্ষীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে বনকর্মীরাও পাল্টা গুলি চালান। একপর্যায়ে বনদস্যুরা তাদের ব্যবহৃত ট্রলার এবং জিম্মি করে রাখা চার জেলেকে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে বনকর্মীরা জেলেদের উদ্ধার করে শেলারচর টহল ফাঁড়ির হেফাজতে নেন।
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. শরিফুল ইসলাম জানান, অভিযানে একটি একনলা বন্দুক, একটি কার্তুজ এবং দুটি ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় বন বিভাগ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও তিনি জানান।
জেইউ/আরএন