সুন্দরবনের বনদস্যুদের মুক্তিপণ দিয়ে বাড়ি ফিরেছেন খুলনার কয়রা উপজেলার ১৩ মৌয়াল। শনিবার বিকেলে তারা বাড়ি আসেন।
তারা হলেন- কয়রা উপজেলার কাটাখালি গ্রামের মৃত নওশের গাজীর দুই ছেলে মো. হারুন গাজী ও আ. গফুর গাজী, বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত মাহাতাব সরদারের ছেলে শহিদুল ইসলাম, হরিপদ সরকারের ছেলে পরিমল চন্দ্র সরকার, কাটাখালী গ্রামের মৃত সতিশ সরকারের ছেলে চরণ সরকার, মৃত শমসের গাজীর ছেলে মালিক গাজী, মৃত নওশের গাজীর ছেলে আফতাব আলী, বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত হাজরা মন্ডলের ছেলে খোকন মন্ডল, মৃত বরদা কান্ত মন্ডলের ছেলে মহানন্দ মন্ডল, বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত আক্কাস গাজীর ছেলে কালাম গাজী, মৃত মেসের গাজীর দুই ছেলে পির আলী গাজী ও খোদা বাক্স গাজী, কাটাখালি গ্রামের মৃত দেলোয়ার হোসেন গাজীর ছেলে হান্নান গাজী।
মৌয়ালরা জানান, সুন্দরবনে মধু কাটতে বানিয়াখালি ফরেস্ট অফিস থেকে গত ০৭ মে (বৃহস্পতিবার) পাস পারমিট নিয়ে সুন্দরবনে মধু কাটতে যান মৌয়ালরা। ওইদিন বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে শিবসা নদীর পূর্ব পাশে কুমড়ুখালী খাল সংলগ্ন এলাকা থেকে মৌয়ালদেরকে আটক করে সুন্দরবনের দোলা ভাই বাহিনী। পরে সুন্দরবনের ভেতরে একটি খালে তাদের নিয়ে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। সে সময় দুই নৌকায় থাকা নগদ চার ২০০ হাজার টাকা নিয়ে নেয়। মৌয়ালদের চাপ সৃষ্টি করে বাড়িতে তাদের দিয়ে ফোন করিয়ে বিকাশ খরচসহ ৩৬ হাজার ৭০০ টাকা নিয়ে শনিবার ভোর ৪টার দিকে তাদের ছেড়ে দেয়। মৌয়ালদের নৌকায় থাকা সকল জিনিসপত্র নিয়ে নেয়। মৌয়ালরা সুন্দরবন থেকে বানিয়াখালী ফরেস্ট অফিসে এসে আশ্রয় নেয়।
কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহ আলম বলেন, 'ঘটনাটি শুনেছি। মৌয়ালদের সাথে কথা হয়েছে। তারা থানায় এলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।'
এসএম/এমএ