Monday | 1 June 2026 | Reg No- 06
Epaper | English
   
English | Monday | 1 June 2026 | Epaper
BREAKING: সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে মার্কেট-শপিংমল বন্ধের নির্দেশ      প্রবীণ আ.লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন      পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ      ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে গ্রাহক-পুলিশ সংঘর্ষ      ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের      মরণোত্তর জাতিসংঘ পদক পাচ্ছেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী      বাজেটের আগে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি এক ধরনের ধোঁকাবাজি: জামায়াত আমির      

দুর্বল প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় ভেস্তে গেল বোরহানউদ্দিনে জাটকা সংরক্ষণ অভিযান

প্রকাশ: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৩ পিএম   (ভিজিট : ৭৮)

ভোলার বোরহানউদ্দিনের তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাটকা সংরক্ষণ মৌসুমে নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকলেও তা অমান্য করে অবাধে চলছে মাছ শিকারের মহোৎসব। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত হাজার হাজার নৌকা ও ট্রলার পুরো তেঁতুলিয়া নদীতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। একই সঙ্গে ধরা মাছ প্রকাশ্যে হাকডাক দিয়ে বিক্রি হচ্ছে তেঁতুলিয়া পাড়ের বিভিন্ন মাছ ঘাটে। শুধু মাছঘাটেই নয়, উপজেলা সদরসহ গ্রামগঞ্জের হাটবাজারেও উপজেলা প্রশাসনের সামনেই বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ সময়ের জাটকা ইলিশসহ সব ধরনের মাছ।

সরাসরি উপজেলার মাছঘাট ও বাজারগুলো ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। প্রশাসনের এমন নীরব ভূমিকায় ভেস্তে গেছে গত প্রায় দুই মাসের সরকারের জাটকা সংরক্ষণ অভিযান। স্থানীয়দের মতে, গত ১০ বছরে অভিযানের সময় এমন প্রকাশ্যে জাটকা নিধনের মহোৎসব তারা দেখেননি। অনেকে আবার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দুই মাস নদীতে মাছ শিকার বন্ধ রাখতে জেলেদের মাঝে প্রায় হাজার টন চাল বিতরণসহ কর্মকর্তাদের অভিযান পরিচালনার জন্য মোটা অঙ্কের টাকা বরাদ্দ দেওয়া কি গঙ্গায় জল ঢালার মতো হচ্ছে?

মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, জাটকা সংরক্ষণে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৬১ দিন মেঘনা–তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকাকে অভয়াশ্রম ঘোষণা করে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। দুর্বল প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার কারণে সরকারের এ মহৎ উদ্যোগকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ইলিশ সম্পদ ধ্বংসে মরিয়া হয়ে উঠেছে বোরহানউদ্দিন উপজেলার একটি প্রভাবশালী মহল। গত প্রায় দুই মাসে নদীতে উল্লেখযোগ্য কোনো অভিযান চোখে পড়েনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তেঁতুলিয়া তীরবর্তী এলাকার এক জনপ্রতিনিধি জানান, অবৈধ জালের কারণে তেঁতুলিয়ায় পা ফেলার জায়গা নেই, তবুও প্রশাসন সে দিকে ফিরেও তাকায় না। তিনি নিজেও কোনো অভিযান পরিচালনা হতে দেখেননি। গ্রামগঞ্জের একাধিক খুচরা মাছ বিক্রেতা আক্তার, সাফিক ও নজু মিয়া জানান, এবার যে পরিমাণ জাটকা ও চাপালি (ইলিশের ছোট পোনা) ধরা পড়েছে, তাতে আগামী ইলিশ মৌসুমে নদীতে ইলিশ খুঁজে পাওয়া যাবে না। এজন্য তারা দুর্বল প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনাকে দায়ী করছেন।

এ বিষয়ে জানতে বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোরঞ্জন বর্মনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনোজ কুমার অভিযানের ব্যর্থতা স্বীকার করে জানান, বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে এবারের অভিযান কিছুটা ব্যাহত হয়েছে।

এনআর/আরএন




LATEST NEWS
MOST READ
আরও পড়ুন
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000.
Phone: PABX- 41053001-06; Online: 41053014; Advertisement: 41053012.
E-mail: district@dailyobserverbd.com, news©dailyobserverbd.com, advertisement©dailyobserverbd.com, For Online Edition: mailobserverbd©gmail.com
🔝
close