চৈত্রের দাবদাহ, বিদ্যুতের ভেলকিবাজি এবং লোডশেডিংয়ের কারণে দিনাজপুরের বিরামপুরে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা পড়েছে চরম বিপাকে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বারবার বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণে অতিষ্ঠ এলাকাবাসীও। দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর জিএম বলেন, চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যাচ্ছে।
জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরে এই এলাকায় চৈত্রের তীব্র দাবদাহ চলছে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে আবার শুরু হয়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। ফলে মানুষ সামান্য স্বস্তির আশায় ঝুঁকছে রিচার্জেবল বৈদ্যুতিক ফ্যান কেনার দিকে। সামর্থ্যবানরা নিশ্চিন্তে থাকার জন্য আইপিএস সংযোগ নিচ্ছেন। শহরের ইলেকট্রিক দোকানগুলো ঘুরে দেখা গেছে, রিচার্জেবল ফ্যান কেনার জন্য ক্রেতাদের ভিড়। তবে অনেকেরই এসব রিচার্জেবল বৈদ্যুতিক যন্ত্র কেনার সামর্থ্য নেই। তারা ব্যবহার করছেন হাতপাখা।
পার্শ্ববর্তী বিজুল নলেরপাড়া গ্রামের মোতালেব বলেন, তার এলাকায় রিচার্জেবল ফ্যানের চাহিদা থাকলেও অনেকের কেনার সামর্থ্য নেই। বিদ্যুৎ না থাকায় ছেলে-মেয়েদের মোমবাতি জ্বালিয়ে পড়াশোনা করতে হচ্ছে। এসএসসি পরীক্ষার্থী মেধা পারভীন বলেন, “আমার অনেক পড়াশোনা করতে হয়। দিনে বা রাতে যদি এভাবে বিদ্যুতের ভেলকিবাজি চলতে থাকে, তাহলে কীভাবে পড়াশোনা করবো? আমাদের এলাকায় প্রচণ্ড গরম ও তাপদাহ চলছে।”
বিরামপুরস্থ দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী সাদেকুর রহমান বলেন, “আমাদের এই সমিতিতে ৮০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ মিলছে ৩৫-৪০ মেগাওয়াট। এ কারণে গ্রাহকদের লোডশেডিংয়ের কবলে পড়তে হচ্ছে। আশা করছি দ্রুত সমাধান হবে।”
এমআর/আরএন