ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
ডা. কামরুলের হাসপাতালে চাঁদা দাবি: মূলহোতা মঈনসহ গ্রেপ্তার ৭
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২৭ পিএম আপডেট: ১৩.০৪.২০২৬ ৩:৩৮ পিএম
X

রাজধানীর শ্যামলীর সেন্টার ফর কিডনি ডিসিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিনকে (মঈন) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একইসঙ্গে তার ছয় সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

সোমবার সকালে র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন (৪২), মো. ফালান মিয়া (৪২), মো. রুবেল (৪২), মো. সুমন (৩৬), মো. লিটন মিয়া (৩৮), মো. শাওন ও স্বপন কাজি।

ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, 'সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালের চাঁদাবাজি মামলার প্রধান অভিযুক্ত মঈনসহ মোট সাত জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।

তিনি বলেন, 'শ্যামলীর সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজির ঘটনায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মঈনকে এক নাম্বার আসামি করে ও অজ্ঞাত ৭-৮ আট জনকে আসামি করে শের-ই-বাংলা নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ওই প্রতিষ্ঠানের অপারেশন থিয়েটার ইনচার্জ। এ ঘটনায় মঈন উদ্দিন মঈনসহ সহযোগীদের গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-২ ও র‍্যাব-৪। পরে ওই আসামিদের আমাদের থানায় হস্তান্তর করে র‍্যাব।'

এর আগে গত শনিবার (১১ এপ্রিল) সিকেডি হাসপাতালের ওটি ইনচার্জ আবু হানিফ বাদি হয়ে শের-ই-বাংলা নগর থানায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মঈনকে এক নম্বর আসামি করে একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাব-৬, সিপিসি-৩, যশোর ক্যাম্পের একটি চৌকস দল সোমবার ভোর ৬টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইলের কালিয়া থানাধীন দাদনতলা এলাকা থেকে মো. মঈন উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে।

মামলার এজাহারে আবু হানিফ উল্লেখ করেছেন, মঈন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে আসছে। দাবিকৃত চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আসামিরা আমাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ এপ্রিল সকালে শের-ই-বাংলা নগর থানাধীন শ্যামলী ৩ নম্বর রোডে আমার বাসার সামনে এসে দরজা খুলতে বলে। আমার স্ত্রী দরজা খুলে দিলে আসামি মঈন আমার স্ত্রীকে বলে যে, চাঁদা বাবদ এখনই তাদেরকে ৫ লাখ টাকা প্রদান করতে হবে। টাকা না দিলে আমাকেসহ আমার স্ত্রীর বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিসাধন করার হুমকি দেয়।

আমার স্ত্রী আসামিদের চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করাসহ চিল্লাচিল্লি শুরু করে। এ সময় আমি আসামিদের উপস্থিতি টের পেয়ে বাসার অন্য একটি রুমে অবস্থান করি এবং পরিস্থিতির অবনতি আশঙ্কা করে হাসপাতালে অবস্থানরত আমার ছোট ভাই মো. মনির তালুকদারকে (৩৫) দ্রুত বাসায় আসার জন্য ফোন করি। পরবর্তীতে আমার ভাই বাসায় পৌঁছালে আসামি মঈনসহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ আসামি ঘটনাটিকে ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করে আরও লোকজন জড়ো করতে থাকে। একপর্যায়ে তারা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন সমবেত করে সিকেডি হাসপাতালের সামনে এসে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করে। তারা হাসপাতালের সামনে অবস্থান নিয়ে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করে, উচ্চস্বরে স্লোগান দেয়, গালাগালি করে এবং পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালায়।

এজাহারে তিনি আরও উল্লেখ করেন, এমনকি তারা সিকেডি হাসপাতালের মালিক মো. কামরুল ইসলামকে উদ্দেশ্য করে বলে ‘কামরুলের দুই গালে জুতা মারো’ এবং ‘কামরুলের পিঠের চামড়া তুলে নেব’ মর্মে হুমকি সূচক স্লোগান দিতে থাকে। এছাড়াও তারা অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে এবং পুরো ঘটনাটিকে পরিকল্পিত ভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে তারা মেডিকেলের ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্টের সামনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, যার ফলে হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিবেশ মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। উক্ত ঘটনার বিষয়ে আমি শের-ই-বাংলা নগর থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এমএ


Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝