নাটোরের বড়াইগ্রামে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করার ঘটনা ঘটেছে। পরে বাড়ি ফিরে লজ্জায় এবং মানসিক চাপের কারণে সনাতন ধর্মাবলম্বী ওই স্কুলছাত্রী বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই ছাত্রীর বাবা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনাটি মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার জোনাইল মহিলা কলেজ এলাকা থেকে ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত হৃদয় হোসেন ওই এলাকার কোরবান আলীর ছেলে।
লিখিত অভিযোগ এবং এলাকাবাসীর তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেলে ১৪ বছর বয়সী ওই ছাত্রী তার বাবার সঙ্গে জোনাইল বাজারে যায়। সেখানে কিছু প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকাটা শেষে একা বাড়ি ফিরছিল। পথে জোনাইল মহিলা কলেজ এলাকায় পৌঁছালে হৃদয় হোসেন ওই স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে পাশের ঘাসের জমিতে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় তার চিৎকারে স্থানীয় কয়েকজন এগিয়ে আসলে হৃদয় তাদেরকে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়ে সেখান থেকে চলে যায়।
ঘটনার পর মেয়েটি বাড়ি ফিরে ক্ষোভ ও লজ্জায় বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত বুঝতে পেরে তাকে উদ্ধার করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন।
স্কুলছাত্রীর বাবা জানান, “এ ঘটনা কাউকে জানালে আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে হত্যা করার হুমকি দিয়েছে হৃদয়। নিরুপায় হয়ে আমার মেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। আমি চাই এই ঘটনার বিচার হোক।”
অভিযুক্ত হৃদয় হোসেনের পিতা কোরবান আলী বলেন, “আমার ছেলে এমন কিছু করেনি। তার বিরুদ্ধে একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করছে।”
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস ছালাম বলেন, “এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এএইচ/আরএন