লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি নাগরিক মো. আলি হোসেনের (৫০) মরদেহ আনুষ্ঠানিক ভাবে বাংলাদেশে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বুধবার রাত আনুমানিক ৮টা ৫০ মিনিটে সীমান্ত পিলার ৮৬৮/৩ এলাকায় ধবলগুড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ স্থানে এ হস্তান্তর কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
এ সময় ধবলগুড়ি বিওপি কমান্ডার জেসিও নং-৯১৬৭ নায়েব সুবেদার মো. আমিরুল ইসলাম এবং ভারতের ১৫৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের শ্রীমুখ কোম্পানির কমান্ডার এসি শ্রী রাজেশ কুমার ইয়াদব উপস্থিত ছিলেন।
বিজিবি জানায়, ভারতের মাথাভাঙ্গা থানা পুলিশ আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি বাংলাদেশের পাটগ্রাম থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে রাত ৯টার দিকে পাটগ্রাম থানার পুলিশ নিহতের মরদেহ তার ভাই মো. আনোয়ার হোসেনের (৪৮) নিকট বুঝিয়ে দেয়।
এর আগে বুধবার বেলা ১১টার দিকে তিস্তা ব্যাটালিয়ন (৬১ বিজিবি)-এর অধীনস্থ ধবলগুড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকা সীমান্ত পিলার ৮৭৪/৫-এস সংলগ্ন সাতগ্রাম এলাকায় ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে একটি স্পট মিটিং অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন তিস্তা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনিম এবং বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১৫৬ ব্যাটালিয়নের কমান্ড্যান্ট শ্রী সৌরভ। এ সময় উভয়পক্ষের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বুধবার ভোর রাতে পাটগ্রাম উপজেলার ধবলগুড়ি সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে মো. আলি হোসেন নিহত হন। নিহত আলি হোসেন উপজেলার ধবলগুড়ি গ্রামের পানিয়াটারী এলাকার আব্দুল গফুরের ছেলে। এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও পরবর্তীতে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সমন্বয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এমএস/এমএ