মুন্সীগঞ্জের সদর, শ্রীনগর ও সিরাজদিখান উপজেলায় এক রাতে পৃথক তিনটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দুটি বসতঘর ও চারটি দোকান পুড়ে গেছে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে শ্রীনগর উপজেলার শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়নের দক্ষিণ সেলামতি কারিগর পাড়া মসজিদের পাশে রমজান বেপারীর ছেলে রনির বাড়িতে আগুন লাগে। এতে টিনের তৈরি একটি ছাপড়া ঘর ও একটি বসতঘর পুড়ে যায়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
এরপর রাত সাড়ে ৩টার দিকে সদর উপজেলার বল্লালবাড়ি এলাকার সিপাহী পাড়ায় মনির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্বল্প সময়ের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হোটেলের রান্নার চুলা থেকেই আগুনের সূত্রপাত। ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপে আশপাশের দোকানগুলো বড় ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পায়।
এদিকে, বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরের চালতাতলা বাজারে আরও একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সিরাজদিখান ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ৩০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে দুটি মুদি দোকান ও একটি চায়ের দোকান পুড়ে যায়।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, চায়ের দোকানের গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বাজারের কাঠ, বাঁশ ও টিনের তৈরি স্থাপনা থাকায় আগুনের বিস্তার বেশি হয়। তবে দ্রুত পদক্ষেপের কারণে আশপাশের অনেক দোকান রক্ষা পায় এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তুলনামূলক কম হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, তিনটি ঘটনাতেই দ্রুত সাড়া দেওয়ার কারণে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
সবাইকে আগুনের ঝুঁকি এড়াতে রান্না ও গ্যাস ব্যবহারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
এইচআই/এমএ