শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় এক দৃষ্টি প্রতিবন্ধী তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়ে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে জানা গেছে, বাবা-মা কাজ করতে গেলে বাড়িতে একা পেয়ে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে প্রতিবেশী এক কিশোর। ধর্ষণের ফলে তরুণী তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নালিতাবাড়ী থানা পুলিশ। এই ঘটনায় সোমবার দুপুরে উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নের দাওধারা গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা আব্দুল বারেকের ছেলে অভিযুক্ত জীবন মিয়াকে (১৫) গ্রেপ্তার করে শেরপুর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এর আগে গত রবিবার বিকেলে ভুক্তভোগী তরুণীর পিতা নালিতাবাড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ ওই রাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত জীবন মিয়াকে আটক করে। ধর্ষণের শিকার তরুণীর বাড়ি উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নের দাওধারা গুচ্ছগ্রামে।
সূত্র জানায়, ধর্ষিতা তরুণীর বাবা ও মা উভয়ই নিকটস্থ নাকুগাঁও স্থলবন্দরে পাথর ভাঙা শ্রমিকের কাজ করে সংসার চালান। প্রতিদিন ভোরে তারা কাজের জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এই সুযোগে বাড়িতে একা থাকা অবস্থায় প্রতিবেশী জীবন মিয়া ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হলে তার শারীরিক অবস্থায় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।
পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি লক্ষ্য করলে তরুণী জানায়, প্রতিবেশী জীবন মিয়া একা পেয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে। পরে তাকে নালিতাবাড়ী উপজেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ডাক্তার জানায়, তিনি তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল আলম জানান, ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণকারীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং সোমবার তাকে আদালতের মাধ্যমে শেরপুর জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
এমএস/আরএন