Monday | 1 June 2026 | Reg No- 06
Epaper | English
   
English | Monday | 1 June 2026 | Epaper
BREAKING: সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে মার্কেট-শপিংমল বন্ধের নির্দেশ      প্রবীণ আ.লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন      পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ      ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে গ্রাহক-পুলিশ সংঘর্ষ      ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের      মরণোত্তর জাতিসংঘ পদক পাচ্ছেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী      বাজেটের আগে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি এক ধরনের ধোঁকাবাজি: জামায়াত আমির      

জ্বালানি তেলের সরবরাহজনিত কিছুটা সমস্যা রয়েছে: জাহেদ উর রহমান

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ২:২২ পিএম   (ভিজিট : ৪০)

দেশে জ্বালানি তেল সরবরাহজনিত কিছুটা সমস্যা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। একইসঙ্গে জাহেদ উর রহমান পলিসি অ্যান্ড স্ট্রাটেজি এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বেও রয়েছেন।

তিনি বলেন, 'আমাদের মধ্যে এই ভীতি বা সংশয় আছে যে, জ্বালানির সরবরাহ কি অনেক কমে গেছে? যে আমরা এত বড় লাইন দেখছি, এটা কি জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে না? কোশ্চেন এটা। যদি আমরা তুলনা করি, ২০২৫ এবং ২০২৬-এর মধ্যে। ডিজেল ২০২৫ সালে সরবরাহ করা হয়েছিল ৩ লাখ ৯৬ হাজার ৯৮ মেট্রিক টন। মার্চে ৩ লাখ ৬৩ হাজার ৫১২ মেট্রিক টন। কিছুটা কমেছে তো বটেই, কিন্তু সেটা খুব সিগনিফিক্যান্টলি কমে গেছে তা না। অকটেন ৩৬ হাজার ৯৮২ মেট্রিক টন ছিল ২০২৫ এর মার্চে। মানে আমরা দুটো বছরের মার্চকে তুলনা করছি।'

উপদেষ্টা বলেন, 'অকটেনের সরবরাহ বরং খানিকটা বেড়েছে ৩৭ হাজার ৪৩৯ মেট্রিক টন। পেট্রোলে গত বছর মার্চে ছিল ৪৬ হাজার ৩৭১ মেট্রিক টন, এটা এই মার্চে হলো ৩৯ হাজার ৯৯৮ মেট্রিক টন। এটার সরবরাহ কিছুটা কমেছে।'

তিনি বলেন, 'তার মানে আমরা এটা বলতে চাই আমাদের সরবরাহজনিত কিছুটা সমস্যা আছে। কিছুটা। শব্দটা আসলেই কিছুটা। ৪৬ হাজার থেকে যখন ৩৯ হাজার হয়, ৭ হাজার কমে আসে। ৭ হাজার কমে আসলে এটা ১০ পারসেন্টের খানিকটা বেশি, ১৫ পারসেন্টের মতো একটু কম সরবরাহ আছে। এটা বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আমার মনে হয় খুব আনইউজুয়াল না। কিন্তু এই যে পেট্রোল নেই, অকটেন নেই, একেবারে খারাপ অবস্থা-পরিস্থিতিটা ওরকম না।'

জাহেদ উর রহমান বলেন, 'এটার জন্য যেটা আমরা দাবি করেছি যে প্রচুর অবৈধ মজুত হয়। অনেকেই আশঙ্কার কথা বলেছেন, অবৈধ মজুত, যেটা হচ্ছে সেটার কারণ খারাপ উদ্দেশ্য আছে। কারোর খারাপ উদ্দেশ্য আছে, সেটা হচ্ছে তারা কেউ কেউ পাচার বা বেশি মূল্যে বিক্রি করতে চান।'

সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে বাড়ি বা বিভিন্ন স্থানে পণ্য বেশি মজুত থাকার বিষয়টি পাচারের আশঙ্কার একটি পরিস্থিতিগত ইঙ্গিত হিসেবে ধরা যেতে পারে বলেও জানান তিনি।

উপদেষ্টা বলেন, 'অনেকেই যৌক্তিক ভাবে প্রশ্ন তুলছেন- পার্শ্ববর্তী দেশের তুলনায় আমাদের জ্বালানির দাম কম হলে পাচারের ঝুঁকি থাকে। তবে এর চেয়েও বড় বিষয় হলো মানুষের শঙ্কা; ভবিষ্যতের চিন্তায় অনেকেই অতিরিক্ত কিনে মজুত করছেন। অর্থাৎ মূলত এটি প্যানিক বায়িং ও মজুত করার প্রবণতা।'

জ্বালানি তেল অবৈধ মজুতের বিরুদ্ধে অভিযানের তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, '৬ এপ্রিল সকালে মজুতের পরিমাণ ছিল ডিজেল ১ লাখ ১৪ হাজার ১২২ মেট্রিক টন, অকটেন ১০ হাজার ১৫১ মেট্রিক টন, পেট্রোল ১৩ হাজার ৮০৫ মেট্রিক টন।'

তিনি আরও বলেন, 'বিদ্যুৎ ও জ্বালানিখাতে আগের থেকেই বড় অঙ্কের ভর্তুকি জমা আছে। দায়িত্ব নেওয়ার সময়ই এই খাতে ৪৫ হাজার কোটি টাকার বেশি বোঝা ছিল, যা জ্বালানি মন্ত্রীও উল্লেখ করেছিলেন। এখনো এই ভর্তুকি চালু আছে এবং জ্বালানির দাম স্থিতিশীল রাখতে সরকারকে আরও ভর্তুকি বাড়াতে হচ্ছে। ফলে পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।'

বর্তমানে বিদ্যুৎখাতে বকেয়ার পরিমাণও অনেক জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, 'বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের (আইপিপি) কাছে বকেয়া ২০ হাজার ২৭২ কোটি টাকা, আদানি পাওয়ারের কাছে ২ হাজার ৯০৪ কোটি টাকা, জয়েন্ট ভেঞ্চারে ৬ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা, পেট্রোবাংলার কাছে ১০ হাজার ৪৫ কোটি টাকা এবং সরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর কাছে ৭ হাজার ৩০৩ কোটি টাকা।'

তিনি বলেন, 'সব মিলিয়ে বড় ধরনের ভর্তুকির চাপ রয়েছে। সরকার চেষ্টা করছে এই চাপ ম্যানেজ করতে, যেন সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব যতটা সম্ভব কম রাখা যায়- তবে কিছুটা চাপ থাকবেই।'

জাহেদ উর রহমান বলেন, 'আমরা দেখতে চাইছি। জ্বালানির মূল্য সারা পৃথিবীর অনেকে বাড়ালেও আমরা অন্তত আরও এক মাসের জন্য বাড়াচ্ছি না। আমরা আরেকটু অপেক্ষা করতে চাইছি। নতুন সরকার জ্বালানির মূল্য বাড়িয়ে যে সংকটগুলো হতে পারে সেটা না করে দেখা। যদি সংকট বাড়তে থাকে এই অফিস বলেন বা মার্কেট বলেন সব ক্ষেত্রেই আমরা হয়তো আরও টাফার (কঠিন) সিদ্ধান্ত নেব বা নিতে হতে পারে। এটা গুরুত্বপূর্ণ কেন নিচ্ছি, নিয়ে কী অর্জন করছি এই বার্তাগুলো জনগণের কাছে ভালো ভাবে কমিউনিকেট করতে হবে, আপনাদের মাধ্যমে আমরা সেই চেষ্টা অবশ্যই করবো।'

এমএ


সম্পর্কিত   বিষয়:  জ্বালানি তেল   জাহেদ উর রহমান  


LATEST NEWS
MOST READ
আরও পড়ুন
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000.
Phone: PABX- 41053001-06; Online: 41053014; Advertisement: 41053012.
E-mail: district@dailyobserverbd.com, news©dailyobserverbd.com, advertisement©dailyobserverbd.com, For Online Edition: mailobserverbd©gmail.com
🔝
close