দেশের ব্যস্ততম নৌরুট রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে বাস ডুবির ঘটনায় তৃতীয় দিনের মতো উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল আটটা থেকে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয় ডুবুরি দল। এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টায় সাময়িকভাবে উদ্ধার কার্যক্রমে বিরতি দেওয়া হয়।
ফায়ার সার্ভিসের রাজবাড়ী স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী পরিচালক দেওয়ান মো. সোহেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ফায়ার সার্ভিসের ৬ জন এবং নৌবাহিনীর ৬ জন মিলে মোট ১২ সদস্যের দুটি ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৫ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি একজনের মরদেহ রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
দেওয়ান মো. সোহেল রানা সাংবাদিকদের জানান, আজ সকালে রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার মুক্তা আক্তার (সোহানা শোভা) নামের এক নারী তাঁর বড় ভাই রিপন শেখের নিখোঁজের বিষয়টি অবগত করেন। এরপর থেকে আবার উদ্ধার কাজ শুরু করা হয়।
রিপন শেখ বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের শ্যামসুন্দরপুর গ্রামের মৃত আবদুল বারেক শেখের ছেলে।
তিনি আরও জানান, রিপন শেখ (৪০) একজন ভাটা শ্রমিক। দুর্ঘটনার দিন গত বুধবার দুপুরে তিনি রাজবাড়ীর একটি মুরগির খামার থেকে ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ওই বাসেই ঢাকায় যাচ্ছিলেন। রিপনের বোন মুক্তা বিষয়টি জানালে আজ সকাল থেকে আবার উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে। আজ সারাদিন উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হবে বলেও তিনি জানান।
এসআই/আরএন