জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, “জুলাইয়ে গণভোটের পক্ষে এদেশের ৭০% মানুষ ভোট দিয়েছে। অবিলম্বে এটাকে বাস্তবায়ন করুন। আর যদি বাস্তবায়ন করতে দেরি করেন, তাহলে সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। কারণ জনগণ একহাতে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে। কিন্তু আপনারা এটাকে অবজ্ঞা করছেন। কেন? কারণ নির্বাচনের আগে আপনারা না ভোটের পক্ষে ছিলেন।”
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর টাউন হল মিলনায়তনে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াত এ আলোচনা সভার আয়োজন করেন।
ড. রেজাউল করিম বলেন, “যে গণরায় বা গণভোট হয়েছে, তা অবিলম্বে সরকারকে মেনে নিতে হবে। আগামী সংসদে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে গণরায়কে মেনে নিতে হবে। আপনারা এখন সংবিধান নিয়ে ঘুরাফেরা করছেন। কোন সংবিধানের আলোকে ২৬শে মার্চ নির্বাচন হয়েছে? কোন সংবিধানের আলোকে এদেশে গুম-খুন, ফাঁসির মঞ্চ, হত্যা বা রাহাজানি ঘটেছে? যদি সংবিধান মানেন, তাহলে সংবিধানে লেখা আছে সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদসহ বিভিন্ন স্থানে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা বসবে। তাহলে কেন সেখানে দলীয়করণ করা হয়েছে? সংবিধান মানলে পুরোটা মানবেন।”
তিনি আরও বলেন, “যারা আজকে ক্ষমতাসীন হয়েছেন, তারা এখন ক্ষমতার আসনে বসে ২৪শে মার্চের ঘটনা যথাযথভাবে চিহ্নিত করতে পারছেন না। তারা শহীদদের যথার্থ মর্যাদা দিতে রাজি নন। ২৪শে মার্চের আন্দোলনকে ভুলিয়ে দেওয়ার জন্য কৌশল অবলম্বন করছেন। আমরা জানতে চাই, যদি ২৪শে মার্চের আন্দোলন না হতো, তাহলে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কি হতো?”
আলোচনা সভায় লক্ষ্মীপুর শহর জামায়াতের আমির আবুল ফারাহ নিশানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির এআর হাফিজ উল্লাহ, সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা নাছির উদ্দিন মাহমুদ, এড. মহসিন কবির মুরাদ, শহর জামায়াতের নায়েবে আমির জহিরুল ইসলাম ও সেক্রেটারী হারুনুর রশিদ প্রমুখ।
আরএইচ/আরএন