প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, 'মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে আমরা সব সময় প্রবাসীদের পাশে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও সব সময় তাদের পাশে থাকব।'
শুক্রবার রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে নিহত মোশাররফ হোসেনের মরদেহ গ্রহণ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।
আরিফুল হক বলেন, 'মৃত ব্যক্তির পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতাসহ সরকারি ভাবে বিধি মোতাবেক যা প্রাপ্য হবে আমরা তা এ পরিবারকে প্রদান করবো। সেই সঙ্গে নিহত মোশারফ হোসেনের দুই সন্তানের পড়ালেখার খরচ প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় বহন করবে।'
পরিবারটিকে আর্থিক ভাবে যতটুকু সহযোগিতা করা প্রয়োজন তা সরকারের পক্ষ থেকে করা হবে বলেও জানান তিনি।
আরিফুল হক বলেন, 'তারেক রহমানের সরকার সব সময় প্রবাসীদের পাশে রয়েছে এবং প্রবাসীদের পাশে থাকবে। যুদ্ধ পরিস্থিতি শেষে পুনরায় আবার যারা ফেরত যেতে চাইবে তাদেরকেও সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে।'
তিনি বলেন, 'মরদেহ হস্তান্তরকালে মন্ত্রী নিহতের পরিবারকে দাফন কার্য সম্পন্নের জন্য ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। এছাড়া ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে ঈদের পর নিহতের পরিবারকে ৩ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে।'
সৌদি আরবের আলখারাজ এলাকায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে নিহত মোশাররফ হোসেনের মরদেহ শুক্রবার সৌদি আরবের স্থানীয় সময় রাত ২টা ২৫ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে রিয়াদ হতে ছেড়ে আসে ও ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে এসে পৌঁছে। নিহত মোশাররফ হোসেনের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কীর্তনখোলা গ্রামে। তার বাবার নাম সূরজত আলী।
বিমানবন্দরে নিহত মোশাররফ হোসেনের মরদেহ গ্রহণকালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড.নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক ব্যারিস্টার গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (কনস্যুলেট কল্যাণ) দেওয়ান আলী আশরাফ-সহ প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিমানবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এমএ