Monday | 1 June 2026 | Reg No- 06
Epaper | English
   
English | Monday | 1 June 2026 | Epaper
BREAKING: সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে মার্কেট-শপিংমল বন্ধের নির্দেশ      প্রবীণ আ.লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন      পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ      ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে গ্রাহক-পুলিশ সংঘর্ষ      ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের      মরণোত্তর জাতিসংঘ পদক পাচ্ছেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী      বাজেটের আগে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি এক ধরনের ধোঁকাবাজি: জামায়াত আমির      

মালিক-শ্রমিকদের সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা আদায় চাঁদা নয়: সড়কমন্ত্রী

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৪২ পিএম   (ভিজিট : ১৫৭)

সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, পরিবহন খাতে মালিক-শ্রমিকরা সমঝোতার ভিত্তিতে যে টাকা আদায় করছেন, এটিকে চাঁদা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

সড়কের ক্ষেত্রে একটি বড় সমস্যা হচ্ছে চাঁদাবাজি এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, ‘সড়ক পরিবহনে যেটাকে চাঁদা বলা হয়, সেভাবে আমি চাঁদা দেখছি না। বাস মালিক সমিতি আছে। শ্রমিক সমিতি, ফেডারেশন আছে। অনেক সময় অলিখিত বিধির মতো তারা তাদের কল্যাণে ব্যয় করার জন্য সম্মতির ভিত্তিতে এই অর্থ সংগ্রহ করে। আমি চাঁদা বলতে সেটাকেই বুঝি যারা দিতে চান না বা যাদের বাধ্য করা হয়, সেটাই হলো চাঁদা।’

শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘মালিক সমিতি আছে, তারা একটি নির্দিষ্ট হারে চাঁদা তোলে, মালিকদের কল্যাণে ব্যবহার করতে চায়। কতটুকু ব্যবহার হয় জানি না। সেটা নিয়ে হয়তো বিতর্ক আছে।’

তিনি বলেন, ‘তারা সমঝোতার ভিত্তিতে এটা (চাঁদা তোলা) করে। সেখানে প্রাধান্য পায় যখন যার প্রভাব থাকে মালিকদের মধ্যে অথবা দলের প্রভাবও থাকে। দলের শ্রমিক সংগঠনগুলোর একটি আধিপত্য থাকে। এটা আছে। তবে এটিকে চাঁদা আকারে আমাদের কাছে দেখার সুযোগ হচ্ছে না, কারণ তারা সমঝোতার ভিত্তিতে করছে। চাঁদাবাজি করতে কেউ এলে কোনো সুযোগ নেই।’

‘মালিকরা যদি সমঝোতার ভিত্তিতে এটি করে, সেটিও আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলে দেখবো সেখানে কেউ বঞ্চিত হচ্ছে কি না এবং সেই অর্থের অপব্যবহার হচ্ছে কি না।’

রাজধানীতে অটোরিকশার অরাজকতার বিষয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, ‘অটোরিকশার দৌরাত্ম্য এবং যত্রতত্র এর ব্যবহার, স্বেচ্ছাচারী ব্যবহার এটা কোনো সভ্য দেশে চলতে পারে না, কোনো সভ্য শহরে কাম্য নয়। এটা উচ্ছেদ বা সম্পূর্ণ বন্ধ করা একবারেই যাবে কি না, নাকি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে পর্যায়ক্রমে কীভাবে করা যায় সে বিষয়ে কঠোর হতে হবে। ট্রাফিক বিভাগ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিষয় আছে। এখানে রাজনৈতিক সদিচ্ছার বিষয়ও আছে। এ বিষয়ে আমরা একটি কর্মপরিকল্পনা করবো। এটা ঢাকাবাসী এবং আমাদের সবার চাওয়া। আমরা এ বিষয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি পদক্ষেপ নিতে চাইবো।’

নিজের তিনটি মন্ত্রণালয়ের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আশা করছি এই মন্ত্রণালয়গুলো আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি জবাবদিহি নিশ্চিত করে জনআকাঙ্ক্ষা ও মানুষের প্রয়োজন ধারণ করে নতুন ব্যবস্থাপনায় চলবে।’

অগ্রাধিকার কর্মসূচির মধ্যে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার বিষয়টি রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি আরও জানান, ঈদুল ফিতর সামনে রেখে গত বছরের ব্যবস্থাপনা অনুসরণ করা হবে। মানুষের ভোগান্তি আরও কমাতে কী কী করা যায়, সে বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আরএন




LATEST NEWS
MOST READ
আরও পড়ুন
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000.
Phone: PABX- 41053001-06; Online: 41053014; Advertisement: 41053012.
E-mail: district@dailyobserverbd.com, news©dailyobserverbd.com, advertisement©dailyobserverbd.com, For Online Edition: mailobserverbd©gmail.com
🔝
close