ত্রয়োদ্বশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগনের রায়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দল (বিএনপি) সরকার গঠনের পর ১১ তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান।
শপথ গ্রহণের পর বুধবার সকালে প্রথম কর্মদিবসেই সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পনের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বিকেলে সচিবালয়ে তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হবে নবগঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠক। একই দিনে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের (সচিব) সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে তার।
রীতি অনুযায়ী শপথের পর প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংসদ সদস্যরা স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের এই রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিকে ঘিরে সাভার জুড়ে বাড়তি নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গনকে ধুঁয়ে মুছে রং-তুলির আচড়ে সৌন্দর্য বর্ধন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ নিরাপত্তা ব্যাবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সমগ্র স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ সিসিটিভি ক্যামেরা দ্বারা মনিটরিংসহ জাতীয় স্মৃতিসৌধে সর্বসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
গণপূর্ত বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন আনু জানান, প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। স্মৃতিসৌধের বেদি, লেক এলাকা, সবুজ চত্বর ও প্রবেশপথ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পুরো সৌধ প্রাঙ্গণ এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।
ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। স্মৃতিসৌধ ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি, নজরদারি ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সুপার আরও জানান, আগত অতিথিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রবেশপথগুলোতে কঠোর তদারকি থাকবে। অনুষ্ঠান চলাকালে সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কর্মসূচি সম্পন্ন হলে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ পুনরায় সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
ওএফ/এসআর